ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে: আইন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 411

ছবি সংগৃহীত

 

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিংয়ে নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পষ্ট বক্তব্য দিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “নির্বাচনের বিষয়ে উপদেষ্টাদের যে যার মত থাকতেই পারে, তবে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ধরা হবে।”

বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকরা, যারা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন।

আরও পড়ুন  স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন

বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা আমাদেরকে সুনির্দিষ্ট কোনো সময় দেননি। শুধু বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চান। আমরা এতে মোটেও সন্তুষ্ট নই। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে অর্থনীতি ও সমাজে।”

এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ফখরুল ভাইয়ের হতাশা তাঁর ব্যক্তিগত উপলব্ধি। আমার দিক থেকে দেখা গেছে, বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে যেসব প্রশ্ন এসেছে, তার সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বেশ মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন, হাসিমুখেও ছিলেন। সেটা থেকেই মনে হয়েছে কিছুটা হলেও তারা স্বস্তি পেয়েছেন।”

নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়কাল কোনোভাবেই মানে নয় যে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করব। বরং আমরা যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। ক্ষমতায় থাকার জন্য সময় টেনে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই।”

তিনি আরও জানান, “বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সরকার কাজ করছে। ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে এসব কাজ সম্পন্ন করার বাস্তবতা বিবেচনায়। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছি, নির্বাচন জুনের পরে কোনো অবস্থাতেই যাবে না।”

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। তাই রাজনৈতিক সমাধান, ন্যায়বিচার এবং নির্বাচন সব মিলিয়েই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা এগোচ্ছি।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাতিকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “অকারণে কালক্ষেপণ হবে না। দ্রুততম সময়েই গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে: আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিংয়ে নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পষ্ট বক্তব্য দিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “নির্বাচনের বিষয়ে উপদেষ্টাদের যে যার মত থাকতেই পারে, তবে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ধরা হবে।”

বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকরা, যারা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন।

আরও পড়ুন  নিজের কাজের হিসাব দিলেন আসিফ নজরুল

বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা আমাদেরকে সুনির্দিষ্ট কোনো সময় দেননি। শুধু বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চান। আমরা এতে মোটেও সন্তুষ্ট নই। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে অর্থনীতি ও সমাজে।”

এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ফখরুল ভাইয়ের হতাশা তাঁর ব্যক্তিগত উপলব্ধি। আমার দিক থেকে দেখা গেছে, বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে যেসব প্রশ্ন এসেছে, তার সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বেশ মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন, হাসিমুখেও ছিলেন। সেটা থেকেই মনে হয়েছে কিছুটা হলেও তারা স্বস্তি পেয়েছেন।”

নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়কাল কোনোভাবেই মানে নয় যে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করব। বরং আমরা যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। ক্ষমতায় থাকার জন্য সময় টেনে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই।”

তিনি আরও জানান, “বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সরকার কাজ করছে। ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে এসব কাজ সম্পন্ন করার বাস্তবতা বিবেচনায়। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছি, নির্বাচন জুনের পরে কোনো অবস্থাতেই যাবে না।”

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। তাই রাজনৈতিক সমাধান, ন্যায়বিচার এবং নির্বাচন সব মিলিয়েই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা এগোচ্ছি।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাতিকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “অকারণে কালক্ষেপণ হবে না। দ্রুততম সময়েই গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।”