ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে: আইন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 225

ছবি সংগৃহীত

 

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিংয়ে নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পষ্ট বক্তব্য দিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “নির্বাচনের বিষয়ে উপদেষ্টাদের যে যার মত থাকতেই পারে, তবে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ধরা হবে।”

বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকরা, যারা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন।

আরও পড়ুন  নির্বাচনই সবচেয়ে বড় সংস্কার, পলিটিকস আর ইকোনমিকস এক নয়: আন্দালিব পার্থ

বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা আমাদেরকে সুনির্দিষ্ট কোনো সময় দেননি। শুধু বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চান। আমরা এতে মোটেও সন্তুষ্ট নই। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে অর্থনীতি ও সমাজে।”

এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ফখরুল ভাইয়ের হতাশা তাঁর ব্যক্তিগত উপলব্ধি। আমার দিক থেকে দেখা গেছে, বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে যেসব প্রশ্ন এসেছে, তার সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বেশ মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন, হাসিমুখেও ছিলেন। সেটা থেকেই মনে হয়েছে কিছুটা হলেও তারা স্বস্তি পেয়েছেন।”

নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়কাল কোনোভাবেই মানে নয় যে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করব। বরং আমরা যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। ক্ষমতায় থাকার জন্য সময় টেনে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই।”

তিনি আরও জানান, “বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সরকার কাজ করছে। ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে এসব কাজ সম্পন্ন করার বাস্তবতা বিবেচনায়। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছি, নির্বাচন জুনের পরে কোনো অবস্থাতেই যাবে না।”

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। তাই রাজনৈতিক সমাধান, ন্যায়বিচার এবং নির্বাচন সব মিলিয়েই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা এগোচ্ছি।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাতিকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “অকারণে কালক্ষেপণ হবে না। দ্রুততম সময়েই গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে: আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিংয়ে নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পষ্ট বক্তব্য দিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “নির্বাচনের বিষয়ে উপদেষ্টাদের যে যার মত থাকতেই পারে, তবে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ধরা হবে।”

বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকরা, যারা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশকে আর বিভক্ত করতে দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির

বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা আমাদেরকে সুনির্দিষ্ট কোনো সময় দেননি। শুধু বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চান। আমরা এতে মোটেও সন্তুষ্ট নই। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে অর্থনীতি ও সমাজে।”

এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ফখরুল ভাইয়ের হতাশা তাঁর ব্যক্তিগত উপলব্ধি। আমার দিক থেকে দেখা গেছে, বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে যেসব প্রশ্ন এসেছে, তার সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বেশ মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন, হাসিমুখেও ছিলেন। সেটা থেকেই মনে হয়েছে কিছুটা হলেও তারা স্বস্তি পেয়েছেন।”

নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়কাল কোনোভাবেই মানে নয় যে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করব। বরং আমরা যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। ক্ষমতায় থাকার জন্য সময় টেনে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই।”

তিনি আরও জানান, “বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সরকার কাজ করছে। ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে এসব কাজ সম্পন্ন করার বাস্তবতা বিবেচনায়। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছি, নির্বাচন জুনের পরে কোনো অবস্থাতেই যাবে না।”

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। তাই রাজনৈতিক সমাধান, ন্যায়বিচার এবং নির্বাচন সব মিলিয়েই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা এগোচ্ছি।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাতিকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “অকারণে কালক্ষেপণ হবে না। দ্রুততম সময়েই গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।”