ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার

নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে: আইন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 490

ছবি সংগৃহীত

 

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিংয়ে নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পষ্ট বক্তব্য দিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “নির্বাচনের বিষয়ে উপদেষ্টাদের যে যার মত থাকতেই পারে, তবে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ধরা হবে।”

বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকরা, যারা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন।

আরও পড়ুন  কুর্দিদের অতিদ্রুত পক্ষ নির্বাচন করতে বলেছেন ট্রাম্প

বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা আমাদেরকে সুনির্দিষ্ট কোনো সময় দেননি। শুধু বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চান। আমরা এতে মোটেও সন্তুষ্ট নই। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে অর্থনীতি ও সমাজে।”

এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ফখরুল ভাইয়ের হতাশা তাঁর ব্যক্তিগত উপলব্ধি। আমার দিক থেকে দেখা গেছে, বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে যেসব প্রশ্ন এসেছে, তার সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বেশ মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন, হাসিমুখেও ছিলেন। সেটা থেকেই মনে হয়েছে কিছুটা হলেও তারা স্বস্তি পেয়েছেন।”

নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়কাল কোনোভাবেই মানে নয় যে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করব। বরং আমরা যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। ক্ষমতায় থাকার জন্য সময় টেনে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই।”

তিনি আরও জানান, “বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সরকার কাজ করছে। ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে এসব কাজ সম্পন্ন করার বাস্তবতা বিবেচনায়। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছি, নির্বাচন জুনের পরে কোনো অবস্থাতেই যাবে না।”

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। তাই রাজনৈতিক সমাধান, ন্যায়বিচার এবং নির্বাচন সব মিলিয়েই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা এগোচ্ছি।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাতিকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “অকারণে কালক্ষেপণ হবে না। দ্রুততম সময়েই গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে: আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিংয়ে নির্বাচন প্রসঙ্গে স্পষ্ট বক্তব্য দিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, “নির্বাচনের বিষয়ে উপদেষ্টাদের যে যার মত থাকতেই পারে, তবে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ধরা হবে।”

বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকরা, যারা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন রাখেন।

আরও পড়ুন  সব দলের এক ইচ্ছা, নির্বাচন চান সবাই - দায়িত্বে থাকুক প্রধান উপদেষ্টা

বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা আমাদেরকে সুনির্দিষ্ট কোনো সময় দেননি। শুধু বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চান। আমরা এতে মোটেও সন্তুষ্ট নই। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন না হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে অর্থনীতি ও সমাজে।”

এ বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “ফখরুল ভাইয়ের হতাশা তাঁর ব্যক্তিগত উপলব্ধি। আমার দিক থেকে দেখা গেছে, বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে যেসব প্রশ্ন এসেছে, তার সন্তোষজনক উত্তর দেওয়া হয়েছে। তাঁরা বেশ মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন, হাসিমুখেও ছিলেন। সেটা থেকেই মনে হয়েছে কিছুটা হলেও তারা স্বস্তি পেয়েছেন।”

নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, “ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়কাল কোনোভাবেই মানে নয় যে আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করব। বরং আমরা যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করতে চাই। ক্ষমতায় থাকার জন্য সময় টেনে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই।”

তিনি আরও জানান, “বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সরকার কাজ করছে। ডিসেম্বর থেকে জুন এই সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে এসব কাজ সম্পন্ন করার বাস্তবতা বিবেচনায়। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছি, নির্বাচন জুনের পরে কোনো অবস্থাতেই যাবে না।”

ড. আসিফ নজরুল বলেন, “এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব, যারা শহিদ হয়েছেন, তাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। তাই রাজনৈতিক সমাধান, ন্যায়বিচার এবং নির্বাচন সব মিলিয়েই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা এগোচ্ছি।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে জাতিকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “অকারণে কালক্ষেপণ হবে না। দ্রুততম সময়েই গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।”