ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকারে নতুন বছর শুরু হোক: প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / 520

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি নববর্ষকে সামনে রেখে বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সংহত বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ। আসুন, আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগাই। পহেলা বৈশাখ হোক আমাদের নতুন অঙ্গীকারের দিন।”

আরও পড়ুন  ইতালির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে অবৈধ অভিবাসন রুখতে চায় বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা

ড. ইউনূস বলেন, “নববর্ষ শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদলানো নয়, এটি একটি চেতনার নবজাগরণ। এটি সম্প্রীতির দিন, ঐক্যের দিন। নতুন বছরে আমরা অতীতের গ্লানি, দুঃখ ও অশুভ স্মৃতিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাই একটি উদ্যমী বাংলাদেশ গঠনের পথে।”

তিনি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “আমাদের সংস্কৃতি কেবল অতীতের স্মৃতি নয়, এটি ভবিষ্যতের শক্তি। হালখাতা, বৈশাখী মেলা, শীতল পাটি, মাটির পাত্র সবই আমাদের সৃজনশীলতার প্রতীক। এসব ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে উৎসবের মাধ্যমে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলা সনের শুরু কৃষিকাজের প্রয়োজনে হয়েছিল, ‘ফসলি সন’ হিসেবে। আজও বাংলার কৃষক বাংলা তারিখ ধরেই বীজ বোনে ও ফসল তোলে। এ থেকেই বোঝা যায়, আমাদের সংস্কৃতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে টিকে আছে।”

ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীও নববর্ষের উৎসবে অংশগ্রহণ করে এই দিনটিকে সার্বজনীন উৎসবে পরিণত করেছে। “বাংলা নববর্ষ এখন আর শুধু শহরের নয়, এটি পুরো জাতির, সবার উৎসব,” বলেন তিনি।

শেষে দেশবাসীর প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, “নববর্ষ ১৪৩২ হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সূচনা। এই দিনটি আমাদের সকলের জীবনে নিয়ে আসুক নতুন আশার আলো, নতুন পথচলার সাহস।

নিউজটি শেয়ার করুন

বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার অঙ্গীকারে নতুন বছর শুরু হোক: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১১:৫৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

 

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি নববর্ষকে সামনে রেখে বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সামনে একটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও সংহত বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ। আসুন, আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগাই। পহেলা বৈশাখ হোক আমাদের নতুন অঙ্গীকারের দিন।”

আরও পড়ুন  আজ শনিবার বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধান উপদেষ্টা

ড. ইউনূস বলেন, “নববর্ষ শুধু ক্যালেন্ডারের পাতা বদলানো নয়, এটি একটি চেতনার নবজাগরণ। এটি সম্প্রীতির দিন, ঐক্যের দিন। নতুন বছরে আমরা অতীতের গ্লানি, দুঃখ ও অশুভ স্মৃতিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাই একটি উদ্যমী বাংলাদেশ গঠনের পথে।”

তিনি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “আমাদের সংস্কৃতি কেবল অতীতের স্মৃতি নয়, এটি ভবিষ্যতের শক্তি। হালখাতা, বৈশাখী মেলা, শীতল পাটি, মাটির পাত্র সবই আমাদের সৃজনশীলতার প্রতীক। এসব ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে উৎসবের মাধ্যমে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলা সনের শুরু কৃষিকাজের প্রয়োজনে হয়েছিল, ‘ফসলি সন’ হিসেবে। আজও বাংলার কৃষক বাংলা তারিখ ধরেই বীজ বোনে ও ফসল তোলে। এ থেকেই বোঝা যায়, আমাদের সংস্কৃতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিকতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে টিকে আছে।”

ড. ইউনূস উল্লেখ করেন, পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীও নববর্ষের উৎসবে অংশগ্রহণ করে এই দিনটিকে সার্বজনীন উৎসবে পরিণত করেছে। “বাংলা নববর্ষ এখন আর শুধু শহরের নয়, এটি পুরো জাতির, সবার উৎসব,” বলেন তিনি।

শেষে দেশবাসীর প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, “নববর্ষ ১৪৩২ হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সূচনা। এই দিনটি আমাদের সকলের জীবনে নিয়ে আসুক নতুন আশার আলো, নতুন পথচলার সাহস।