ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
মাননীয় নয়, শুধু প্রধানমন্ত্রী: নিজ দপ্তর থেকেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন প্রধানমন্ত্রীর গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার ছিল র‍্যাব বিলুপ্ত করা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে: রাষ্ট্রপতি ‘আ.লীগ এভাবে পালাবে, কোনো জ্যোতিষও ভাবেনি: ধর্মমন্ত্রী ইরানকে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রাখার অনুরোধ পাকিস্তানের ড. ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ ইরান যুদ্ধের অবসানের সময় জানালেন ট্রাম্প জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন যুদ্ধবিমান আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামাতে চায় সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে দিল্লি যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী

গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার ছিল র‍্যাব বিলুপ্ত করা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 16

ছবি সংগৃহীত

 

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার ও নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ ছিল বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন  শাসনের পথে র‍্যাবকে নতুন উদ্যমে এগিয়ে চলার আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিলটি পাস হলে র‍্যাব নামে আর কোনো বাহিনী থাকবে না। এর পরিবর্তে নতুন বাহিনী হিসেবে এসআরবি দায়িত্ব পালন করবে।

র‍্যাবের অস্ত্র, সরঞ্জাম ও অন্যান্য সম্পদ এসআরবির কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো রাষ্ট্রের সম্পদ। তাই নিলামে বিক্রি করা হবে না। নতুন বাহিনী এসব সম্পদ ব্যবহার করলে সরকারের নতুন করে একই ধরনের সরঞ্জাম কেনার প্রয়োজন হবে না। এতে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয়ও কমবে।

বিলটি দ্রুত পাস করার অভিযোগও নাকচ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, স্থায়ী কমিটির বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া, ওয়েবসাইটে বিল প্রকাশ করে জনগণের মতামত নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিল পাসে যত দেরি হবে, ততদিন র‍্যাব বহাল থাকবে। তাই নতুন বাহিনী গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

এসআরবির সদস্যদের দায়িত্ব ও বিচারিক প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। কাউকে গ্রেপ্তারের পর তাকে ও উদ্ধার করা আলামত দ্রুত নিকটস্থ থানায় হস্তান্তর করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে অপরাধের ধরন বদলেছে। বর্তমানে প্রায় সব ধরনের অপরাধের সঙ্গে সাইবার জগতের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ কারণে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের অধীনে ‘সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট’ গঠন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ২০০৩-০৪ সালের দিকে এপিবিএন আইনের একটি ধারার অধীনে র‍্যাব ইউনিট গঠন করা হয়েছিল। পূর্ণাঙ্গ আইন না থাকায় র‍্যাবকে এপিবিএন থেকে আলাদা করে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পুরোনো এপিবিএন আইন যুগোপযোগী করে বাংলায় রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার ছিল র‍্যাব বিলুপ্ত করা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৩২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার ও নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ ছিল বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন  র‌্যাব এর নতুন নাম এসআরবি প্রস্তাব

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিলটি পাস হলে র‍্যাব নামে আর কোনো বাহিনী থাকবে না। এর পরিবর্তে নতুন বাহিনী হিসেবে এসআরবি দায়িত্ব পালন করবে।

র‍্যাবের অস্ত্র, সরঞ্জাম ও অন্যান্য সম্পদ এসআরবির কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো রাষ্ট্রের সম্পদ। তাই নিলামে বিক্রি করা হবে না। নতুন বাহিনী এসব সম্পদ ব্যবহার করলে সরকারের নতুন করে একই ধরনের সরঞ্জাম কেনার প্রয়োজন হবে না। এতে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয়ও কমবে।

বিলটি দ্রুত পাস করার অভিযোগও নাকচ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, স্থায়ী কমিটির বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া, ওয়েবসাইটে বিল প্রকাশ করে জনগণের মতামত নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিল পাসে যত দেরি হবে, ততদিন র‍্যাব বহাল থাকবে। তাই নতুন বাহিনী গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

এসআরবির সদস্যদের দায়িত্ব ও বিচারিক প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। কাউকে গ্রেপ্তারের পর তাকে ও উদ্ধার করা আলামত দ্রুত নিকটস্থ থানায় হস্তান্তর করতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে অপরাধের ধরন বদলেছে। বর্তমানে প্রায় সব ধরনের অপরাধের সঙ্গে সাইবার জগতের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ কারণে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের অধীনে ‘সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট’ গঠন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ২০০৩-০৪ সালের দিকে এপিবিএন আইনের একটি ধারার অধীনে র‍্যাব ইউনিট গঠন করা হয়েছিল। পূর্ণাঙ্গ আইন না থাকায় র‍্যাবকে এপিবিএন থেকে আলাদা করে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পুরোনো এপিবিএন আইন যুগোপযোগী করে বাংলায় রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।