ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

১০টি বাসের মুক্তি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে সমঝোতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 942

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর বকশীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর বাবার মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা পরিশোধের পর শিক্ষার্থীদের আটক করা মৌমিতা পরিবহনের ১০টি বাস ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাত ১১টার দিকে মালিকপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বাসগুলো সরিয়ে নেয়।

এর আগে, গত ৮ জুলাই বকশীবাজারে মৌমিতা পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রিফাত বিনতে জুহুরের বাবা জহুরুল হক। দুর্ঘটনার পরদিন ক্ষতিপূরণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মৌমিতা পরিবহনের ১০টি বাস আটক করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন।

আরও পড়ুন  অ্যাপলকে ৭০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে বাস মালিকপক্ষ। আলোচনায় শিক্ষার্থীরা ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। একাধিক দফা আলোচনার পর সমঝোতায় পৌঁছায় দুই পক্ষ। মঙ্গলবার রাতে নগদ ৫ লাখ টাকা রিফাতের কাছে হস্তান্তর করে মালিকপক্ষ। পাশাপাশি আরও ৫ লাখ টাকা আগামী তিন মাসের মধ্যে ‘বাস কল্যাণ তহবিল’ থেকে দেওয়ার লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

রিফাতের সহপাঠীরা জানিয়েছেন, তাঁর ছোট ভাই ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত। চিকিৎসার প্রয়োজনে পরিবার ঢাকায় অবস্থান করছিল। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জহুরুল হকের মৃত্যুর ফলে পরিবারটি গভীর সংকটে পড়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, “বাস কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নগদ ৫ লাখ টাকা প্রদান করেছে এবং আরও ৫ লাখ টাকা পরিশেষে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। ক্ষতিপূরণের টাকা রিফাতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

১০টি বাসের মুক্তি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে সমঝোতা

আপডেট সময় ০১:৪০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

রাজধানীর বকশীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর বাবার মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৫ লাখ টাকা পরিশোধের পর শিক্ষার্থীদের আটক করা মৌমিতা পরিবহনের ১০টি বাস ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাত ১১টার দিকে মালিকপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বাসগুলো সরিয়ে নেয়।

এর আগে, গত ৮ জুলাই বকশীবাজারে মৌমিতা পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় নিহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রিফাত বিনতে জুহুরের বাবা জহুরুল হক। দুর্ঘটনার পরদিন ক্ষতিপূরণের দাবিতে শিক্ষার্থীরা মৌমিতা পরিবহনের ১০টি বাস আটক করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন।

আরও পড়ুন  হামে মৃত ৩৫২ শিশুর পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টে রিট

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে বাস মালিকপক্ষ। আলোচনায় শিক্ষার্থীরা ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। একাধিক দফা আলোচনার পর সমঝোতায় পৌঁছায় দুই পক্ষ। মঙ্গলবার রাতে নগদ ৫ লাখ টাকা রিফাতের কাছে হস্তান্তর করে মালিকপক্ষ। পাশাপাশি আরও ৫ লাখ টাকা আগামী তিন মাসের মধ্যে ‘বাস কল্যাণ তহবিল’ থেকে দেওয়ার লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

রিফাতের সহপাঠীরা জানিয়েছেন, তাঁর ছোট ভাই ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত। চিকিৎসার প্রয়োজনে পরিবার ঢাকায় অবস্থান করছিল। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জহুরুল হকের মৃত্যুর ফলে পরিবারটি গভীর সংকটে পড়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, “বাস কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নগদ ৫ লাখ টাকা প্রদান করেছে এবং আরও ৫ লাখ টাকা পরিশেষে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। ক্ষতিপূরণের টাকা রিফাতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।”