ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 19

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় আধুনিকায়ন করা উদ্যান ও স্মৃতিস্তম্ভের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারাও রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আধুনিকায়নের কাজ শেষ হওয়ায় দীর্ঘদিন পর নগরবাসীর জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যান। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে উদ্যান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এখানে লেক, ফোয়ারা, আধুনিক লাইব্রেরি, ক্যাফেটেরিয়া, হাঁটার পথ ও শিশুদের বিনোদনকেন্দ্রসহ বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী পর্ব শেষে সর্বসাধারণের জন্য উদ্যানটি খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

উদ্যানের মূল ফটক পুলিশ সদর দপ্তরের বিপরীত পাশে। ওই ফটক দিয়ে প্রবেশ করলে বাম পাশে দেখা যাবে লেক, আর মাঝখানে রয়েছে ফোয়ারা। এ ছাড়া তৈরি করা হয়েছে আধুনিক লাইব্রেরি, জিমনেশিয়াম ও ক্যাফেটেরিয়া। লাইব্রেরির আগে বাম পাশ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলে পাওয়া যাবে জাদুঘরের জন্য নির্ধারিত স্থান।

আরও পড়ুন  হি"জ*বু"ল্লা'হর তীব্র প্রতিক্রিয়া

উদ্যানের মাঝামাঝি স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ। এর চারপাশ পাকা করা হয়েছে এবং মাঝখানে স্টিলের পাতের ওপর জুলাই শহীদদের নাম খোদাই করা হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভের রেলিংয়ের ভেতরের অংশে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন চিত্র স্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয়েছে। এর ঠিক সামনেই রয়েছে কয়েকটি প্রতীকী কবর। স্মৃতিস্তম্ভের পাশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে হাঁটার পথ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই স্মৃতিস্তম্ভ।

উদ্যানকে আরও সবুজ করে তুলতে নতুন করে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়েছে। রাজধানীবাসীর নিয়মিত হাঁটা ও বিশ্রামের উপযোগী করে সাজানো হয়েছে পুরো এলাকা। পাশাপাশি সংস্কার করে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে উদ্যানের পুরোনো লেকটিকেও।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৫৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় আধুনিকায়ন করা উদ্যান ও স্মৃতিস্তম্ভের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারাও রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আধুনিকায়নের কাজ শেষ হওয়ায় দীর্ঘদিন পর নগরবাসীর জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যান। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে উদ্যান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এখানে লেক, ফোয়ারা, আধুনিক লাইব্রেরি, ক্যাফেটেরিয়া, হাঁটার পথ ও শিশুদের বিনোদনকেন্দ্রসহ বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী পর্ব শেষে সর্বসাধারণের জন্য উদ্যানটি খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

উদ্যানের মূল ফটক পুলিশ সদর দপ্তরের বিপরীত পাশে। ওই ফটক দিয়ে প্রবেশ করলে বাম পাশে দেখা যাবে লেক, আর মাঝখানে রয়েছে ফোয়ারা। এ ছাড়া তৈরি করা হয়েছে আধুনিক লাইব্রেরি, জিমনেশিয়াম ও ক্যাফেটেরিয়া। লাইব্রেরির আগে বাম পাশ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলে পাওয়া যাবে জাদুঘরের জন্য নির্ধারিত স্থান।

আরও পড়ুন  সাইডলাইন বৈঠকে হাইতি-বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী

উদ্যানের মাঝামাঝি স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ। এর চারপাশ পাকা করা হয়েছে এবং মাঝখানে স্টিলের পাতের ওপর জুলাই শহীদদের নাম খোদাই করা হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভের রেলিংয়ের ভেতরের অংশে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন চিত্র স্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয়েছে। এর ঠিক সামনেই রয়েছে কয়েকটি প্রতীকী কবর। স্মৃতিস্তম্ভের পাশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে হাঁটার পথ।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই স্মৃতিস্তম্ভ।

উদ্যানকে আরও সবুজ করে তুলতে নতুন করে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়েছে। রাজধানীবাসীর নিয়মিত হাঁটা ও বিশ্রামের উপযোগী করে সাজানো হয়েছে পুরো এলাকা। পাশাপাশি সংস্কার করে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে উদ্যানের পুরোনো লেকটিকেও।