ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে বাড়বে করদাতা: উপদেষ্টা ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ঢাকায়

আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 10

ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন স্থানে সচিবালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে এগোচ্ছে সরকার। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার ২০২৯ সালের মধ্যে শেরেবাংলা নগরে নতুন সচিবালয়ে অফিস কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে।

আরও পড়ুন  নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ছাত্রদলে, তাঁরা এখন মন্ত্রিসভায়

প্রস্তাবে সচিবালয়ের বর্তমান ভবনগুলোর অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও কর্মপরিবেশের সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে ১৭ দশমিক ৫৭ একর জায়গাজুড়ে সচিবালয়ের ১৩টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে আটটি ভবন স্বাধীনতার আগে নির্মিত।

সচিবালয়ের পুরোনো ১, ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবন ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে এবং ৫ নম্বর ভবন ১৯৪৭ সালে নির্মিত হয়। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভবনগুলো ভূমিকম্প সহনীয় করে নির্মাণ করা হয়নি। ঢাকা ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এসব ভবনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ।

এ ছাড়া ভবনগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবহারযোগ্য জায়গা নেই। পর্যাপ্ত ওয়াশ-ব্লকের অভাব এবং ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ব্যবহারের কারণে স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ বজায় রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

বর্তমান সচিবালয়ে মোট অফিস স্পেস প্রায় ১৮ দশমিক ৭৬ লাখ বর্গফুট। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত জায়গার চাহিদা এবং সচিবালয় কমপাউন্ডের বাইরে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর কার্যালয়ের স্থানসংকুলান করতে আরও ১০ লাখ বর্গফুটের বেশি অফিস স্পেস প্রয়োজন বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

আপডেট সময় ১০:৪২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ২০২৯ সালের মধ্যে নতুন স্থানে সচিবালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে এগোচ্ছে সরকার। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি ৪৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার ২০২৯ সালের মধ্যে শেরেবাংলা নগরে নতুন সচিবালয়ে অফিস কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে।

আরও পড়ুন  ছায়া মন্ত্রিসভা কী, কেন, কীভাবে গঠন করা হয়?

প্রস্তাবে সচিবালয়ের বর্তমান ভবনগুলোর অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও কর্মপরিবেশের সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে ১৭ দশমিক ৫৭ একর জায়গাজুড়ে সচিবালয়ের ১৩টি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে আটটি ভবন স্বাধীনতার আগে নির্মিত।

সচিবালয়ের পুরোনো ১, ২, ৩ ও ৮ নম্বর ভবন ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে এবং ৫ নম্বর ভবন ১৯৪৭ সালে নির্মিত হয়। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ভবনগুলো ভূমিকম্প সহনীয় করে নির্মাণ করা হয়নি। ঢাকা ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এসব ভবনে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ।

এ ছাড়া ভবনগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবহারযোগ্য জায়গা নেই। পর্যাপ্ত ওয়াশ-ব্লকের অভাব এবং ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ব্যবহারের কারণে স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ বজায় রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

বর্তমান সচিবালয়ে মোট অফিস স্পেস প্রায় ১৮ দশমিক ৭৬ লাখ বর্গফুট। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত জায়গার চাহিদা এবং সচিবালয় কমপাউন্ডের বাইরে থাকা মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর কার্যালয়ের স্থানসংকুলান করতে আরও ১০ লাখ বর্গফুটের বেশি অফিস স্পেস প্রয়োজন বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।