ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গে প্রার্থিতা বাতিলের বিধান যুক্ত হচ্ছে: নির্বাচন কমিশনার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 597

ছবি সংগৃহীত

 

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থিতা বাতিলের মতো কঠোর বিধান যুক্ত করে নতুন খসড়া আচরণবিধি চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের অনুমতি থাকছে না এবং প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল উভয়কে হলফনামা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।

আরও পড়ুন  সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা জুলাইয়ে: নির্বাচন কমিশনার

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য আচরণবিধির খসড়া আমরা চূড়ান্ত করেছি। এতে উল্লেখ রয়েছে কেউ যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে, তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।”

সানাউল্লাহ আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণার জন্য নির্ধারিত সময় থাকবে তিন সপ্তাহ। এই সময়ের বাইরে প্রচার চালানো যাবে না। তাছাড়া, প্রচারণায় পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখন কিংবা এমন কোনো মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এর পরিবর্তে প্রার্থীরা ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবেন।

নতুন খসড়া আচরণবিধিতে রয়েছে আরও কিছু কঠোর শর্ত। প্রার্থীরা প্রচারে নামার আগে একটি হলফনামা দিতে বাধ্য থাকবেন, যেখানে তার সম্পদ বিবরণ, অপরাধ সংশ্লিষ্টতা ও নৈতিক অঙ্গীকার থাকবে।

এছাড়া, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে প্রার্থী থাকলে, প্রার্থী হওয়ার আগে তাকে ওই পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে বলেও খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।

নির্বাচনী বিধান লঙ্ঘনের শাস্তির ব্যাপারে সানাউল্লাহ বলেন, “আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ও এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এই খসড়া আচরণবিধি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে এবং সকল রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হবে মতামতের জন্য। তাদের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে নতুন আচরণবিধিকে।

নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করতে এ ধরনের বিধান যুক্ত করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গে প্রার্থিতা বাতিলের বিধান যুক্ত হচ্ছে: নির্বাচন কমিশনার

আপডেট সময় ০৫:৪০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

 

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থিতা বাতিলের মতো কঠোর বিধান যুক্ত করে নতুন খসড়া আচরণবিধি চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের অনুমতি থাকছে না এবং প্রার্থী ও রাজনৈতিক দল উভয়কে হলফনামা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশনের সভা শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ।

আরও পড়ুন  সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা জুলাইয়ে: নির্বাচন কমিশনার

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য আচরণবিধির খসড়া আমরা চূড়ান্ত করেছি। এতে উল্লেখ রয়েছে কেউ যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে, তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।”

সানাউল্লাহ আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণার জন্য নির্ধারিত সময় থাকবে তিন সপ্তাহ। এই সময়ের বাইরে প্রচার চালানো যাবে না। তাছাড়া, প্রচারণায় পোস্টার, ব্যানার, দেয়াল লিখন কিংবা এমন কোনো মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এর পরিবর্তে প্রার্থীরা ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারণা চালাতে পারবেন।

নতুন খসড়া আচরণবিধিতে রয়েছে আরও কিছু কঠোর শর্ত। প্রার্থীরা প্রচারে নামার আগে একটি হলফনামা দিতে বাধ্য থাকবেন, যেখানে তার সম্পদ বিবরণ, অপরাধ সংশ্লিষ্টতা ও নৈতিক অঙ্গীকার থাকবে।

এছাড়া, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে প্রার্থী থাকলে, প্রার্থী হওয়ার আগে তাকে ওই পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে বলেও খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।

নির্বাচনী বিধান লঙ্ঘনের শাস্তির ব্যাপারে সানাউল্লাহ বলেন, “আচরণবিধি লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড ও এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, এই খসড়া আচরণবিধি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে এবং সকল রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হবে মতামতের জন্য। তাদের সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে নতুন আচরণবিধিকে।

নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করতে এ ধরনের বিধান যুক্ত করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার।