ঢাকা ১২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

ইতিহাসে প্রথম, রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হাইকোর্টের রায়ে: প্রধান বিচারপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 548

ছবি সংগৃহীত

 

রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে হাইকোর্টের রায়ে একটি রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিলের ঘটনা এই প্রথম—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সকালে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এ মন্তব্য করেন তিনি। শুনানিকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে ছিলেন আরও তিন বিচারপতি।

আরও পড়ুন  ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলাঃ বাবরসহ ৫ জন খালাস, পরেশ বড়ুয়ার শাস্তি কমলো

এইদিন আদালতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলটি ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়, কারণ সেদিন কোনো পক্ষ আদালতে হাজির ছিলেন না। তবে পরে মামলাটি পুনরুজ্জীবনের (রিস্টোর) জন্য আবেদন করা হয়।

২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর আদালত দেরি মাফ করে আবেদনটি গ্রহণ করেন এবং মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করেন। সেই শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ও শিশির মনির।

পরবর্তীতে, ২০২৩ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয় এবং তা চলমান রয়েছে।

এই মামলার গুরুত্ব উল্লেখ করে আদালত বলেছে, দেশের আইনি ইতিহাসে এটি এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। কেননা, একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি সাধারণত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত হলেও এই প্রথম আদালতের রায়ে সেটি বাতিল হয়।

এ বিষয়ে আগ্রহী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় এবং আদালতের ভূমিকায় এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

আদালত শুনানি চলাকালে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। আপাতত, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারা দেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইতিহাসে প্রথম, রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হাইকোর্টের রায়ে: প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় ০২:৪০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে হাইকোর্টের রায়ে একটি রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিলের ঘটনা এই প্রথম—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সকালে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এ মন্তব্য করেন তিনি। শুনানিকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে ছিলেন আরও তিন বিচারপতি।

আরও পড়ুন  মহাসড়কে স্লিপার বাস চলাচলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে রিট

এইদিন আদালতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলটি ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়, কারণ সেদিন কোনো পক্ষ আদালতে হাজির ছিলেন না। তবে পরে মামলাটি পুনরুজ্জীবনের (রিস্টোর) জন্য আবেদন করা হয়।

২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর আদালত দেরি মাফ করে আবেদনটি গ্রহণ করেন এবং মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করেন। সেই শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ও শিশির মনির।

পরবর্তীতে, ২০২৩ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয় এবং তা চলমান রয়েছে।

এই মামলার গুরুত্ব উল্লেখ করে আদালত বলেছে, দেশের আইনি ইতিহাসে এটি এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। কেননা, একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি সাধারণত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত হলেও এই প্রথম আদালতের রায়ে সেটি বাতিল হয়।

এ বিষয়ে আগ্রহী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় এবং আদালতের ভূমিকায় এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

আদালত শুনানি চলাকালে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। আপাতত, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারা দেশ।