ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

ইতিহাসে প্রথম, রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হাইকোর্টের রায়ে: প্রধান বিচারপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 321

ছবি সংগৃহীত

 

রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে হাইকোর্টের রায়ে একটি রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিলের ঘটনা এই প্রথম—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সকালে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এ মন্তব্য করেন তিনি। শুনানিকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে ছিলেন আরও তিন বিচারপতি।

আরও পড়ুন  নতুন সংসদের প্রথম দিনেই ১৩৩ অধ্যাদেশ পেশ

এইদিন আদালতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলটি ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়, কারণ সেদিন কোনো পক্ষ আদালতে হাজির ছিলেন না। তবে পরে মামলাটি পুনরুজ্জীবনের (রিস্টোর) জন্য আবেদন করা হয়।

২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর আদালত দেরি মাফ করে আবেদনটি গ্রহণ করেন এবং মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করেন। সেই শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ও শিশির মনির।

পরবর্তীতে, ২০২৩ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয় এবং তা চলমান রয়েছে।

এই মামলার গুরুত্ব উল্লেখ করে আদালত বলেছে, দেশের আইনি ইতিহাসে এটি এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। কেননা, একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি সাধারণত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত হলেও এই প্রথম আদালতের রায়ে সেটি বাতিল হয়।

এ বিষয়ে আগ্রহী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় এবং আদালতের ভূমিকায় এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

আদালত শুনানি চলাকালে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। আপাতত, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারা দেশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইতিহাসে প্রথম, রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হাইকোর্টের রায়ে: প্রধান বিচারপতি

আপডেট সময় ০২:৪০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে হাইকোর্টের রায়ে একটি রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিলের ঘটনা এই প্রথম—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

মঙ্গলবার (১৩ মে) সকালে আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে এ মন্তব্য করেন তিনি। শুনানিকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে ছিলেন আরও তিন বিচারপতি।

আরও পড়ুন  মানবিক কারণে হাইকোর্টে জামিন পেলেন বাগেরহাটের ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম

এইদিন আদালতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শিশির মনির। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলটি ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়, কারণ সেদিন কোনো পক্ষ আদালতে হাজির ছিলেন না। তবে পরে মামলাটি পুনরুজ্জীবনের (রিস্টোর) জন্য আবেদন করা হয়।

২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর আদালত দেরি মাফ করে আবেদনটি গ্রহণ করেন এবং মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করেন। সেই শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী এহসান আব্দুল্লাহ সিদ্দিক ও শিশির মনির।

পরবর্তীতে, ২০২৩ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয় এবং তা চলমান রয়েছে।

এই মামলার গুরুত্ব উল্লেখ করে আদালত বলেছে, দেশের আইনি ইতিহাসে এটি এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। কেননা, একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি সাধারণত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত হলেও এই প্রথম আদালতের রায়ে সেটি বাতিল হয়।

এ বিষয়ে আগ্রহী রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় এবং আদালতের ভূমিকায় এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

আদালত শুনানি চলাকালে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দিতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। আপাতত, বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সারা দেশ।