শেখ হাসিনার বক্তব্যে ভারত সরকারের বাধা নেই: এফসিসি সভাপতি
- আপডেট সময় ০৩:২২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
- / 19
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন নিয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন ভারতের নয়াদিল্লিভিত্তিক ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব (এফসিসি) সাউথ এশিয়ার সভাপতি ড. ওয়ায়েল আউয়াদ। তিনি বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার নীতির অংশ হিসেবেই এ আয়োজন করা হচ্ছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে এফসিসির আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, তিনি সরাসরি উপস্থিত না থেকে অডিওর মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকবেন। এ সময় দেশে ফেরার পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বক্তব্য দিতে পারেন বলে জানা গেছে।
ড. ওয়ায়েল আউয়াদ বলেন, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার বিষয়টি থাকলেও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার নীতির ভিত্তিতেই সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, গত ১৯ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে একাধিকবার এফসিসিতে বক্তব্য দিতে এবং সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি সাড়া দেননি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ভারত সরকারের পক্ষ থেকেও এ আয়োজন নিয়ে কোনো আপত্তি বা বাধা জানানো হয়নি এবং ক্লাবটি রাজনৈতিক বিষয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লির মথুরা রোডে অবস্থিত স্যার মার্ক টালি অডিটোরিয়ামে মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার পাশাপাশি প্যানেল আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, সাবেক কূটনীতিক আমিনুল হক পলাশ, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মহাসচিব মাহাম্মদ আলী সিদ্দিক, বিশ্লেষক আবু ওবাইদাহ আরিন এবং শাহ মো. বখতিয়ারের।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ভারতে যান। পরে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হয়। এরপর আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ রয়েছে।



















