ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অতিরিক্ত জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 32

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ)। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এসব জ্বালানি আমদানি করা হবে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সিসিইএ’র ২৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আরও পড়ুন  জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী

সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রচলিত সরকারি পর্যায়ের সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ব্যবস্থায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন গ্যাস ওয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানি করা হবে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত এই জ্বালানি আমদানির পরিমাণ ২০২৬ সালের মূল বরাদ্দের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।

পরিবহন, শিল্প ও বিমান চলাচল খাতে বাড়তি জ্বালানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বছরের শেষ চার মাসে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতেই অতিরিক্ত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

অতিরিক্ত জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন

আপডেট সময় ০১:৫৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

দেশে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ)। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এসব জ্বালানি আমদানি করা হবে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সিসিইএ’র ২৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আরও পড়ুন  নতুন দরের অপেক্ষায় ‘তেল নেই’ নোটিশ, পাম্পে পাম্পে গ্রাহক ভোগান্তি ও ক্ষোভ

সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রচলিত সরকারি পর্যায়ের সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ব্যবস্থায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন গ্যাস ওয়েল ও জেট ফুয়েল আমদানি করা হবে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত এই জ্বালানি আমদানির পরিমাণ ২০২৬ সালের মূল বরাদ্দের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।

পরিবহন, শিল্প ও বিমান চলাচল খাতে বাড়তি জ্বালানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বছরের শেষ চার মাসে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতেই অতিরিক্ত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।