ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল

সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা: আইন কী বলে, শাস্তি কি?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 947

ছবি: সংগৃহীত

সংবাদ সংগ্রহের সময় কোনো সাংবাদিক বা সংবাদকর্মীর ওপর পুলিশ বা অন্য কোনো ব্যক্তি অকারণে হামলা চালাতে পারে না—এমনটাই বলছে দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধান। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধভাবে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিককে বাধা দেওয়া বা শারীরিকভাবে আঘাত করা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার আওতায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে ব্যক্তির জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। ফলে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা সংবিধানপ্রদত্ত অধিকারের পরিপন্থী।

আইনবিদরা জানান, এ ধরনের ঘটনায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে। দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। ৩৫২ ধারায় আক্রমণ বা মারধরের জন্য তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান আছে। এছাড়া ৩৪১ ধারায় বেআইনি বাধা দেওয়ার অপরাধে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। গুরুতর আঘাতের ক্ষেত্রে আরও কঠোর ধারাও প্রযোজ্য হতে পারে।

আরও পড়ুন  পুলিশসহ জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং প্রত্যাহার করলেন প্রধানমন্ত্রী

এদিকে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সরকার পৃথক আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভয়ভীতি বা হয়রানির ঘটনায় এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপরও আঘাত। এমন ঘটনায় ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা: আইন কী বলে, শাস্তি কি?

আপডেট সময় ১১:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংবাদ সংগ্রহের সময় কোনো সাংবাদিক বা সংবাদকর্মীর ওপর পুলিশ বা অন্য কোনো ব্যক্তি অকারণে হামলা চালাতে পারে না—এমনটাই বলছে দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধান। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধভাবে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিককে বাধা দেওয়া বা শারীরিকভাবে আঘাত করা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার আওতায় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও অন্তর্ভুক্ত। একই সঙ্গে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে ব্যক্তির জীবন ও স্বাধীনতার সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। ফলে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের ওপর হামলা সংবিধানপ্রদত্ত অধিকারের পরিপন্থী।

আইনবিদরা জানান, এ ধরনের ঘটনায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে। দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। ৩৫২ ধারায় আক্রমণ বা মারধরের জন্য তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান আছে। এছাড়া ৩৪১ ধারায় বেআইনি বাধা দেওয়ার অপরাধে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রয়েছে। গুরুতর আঘাতের ক্ষেত্রে আরও কঠোর ধারাও প্রযোজ্য হতে পারে।

আরও পড়ুন  নাঈমকে হেনস্তার অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

এদিকে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় সরকার পৃথক আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভয়ভীতি বা হয়রানির ঘটনায় এক থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকের ওপর হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপরও আঘাত। এমন ঘটনায় ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে।