ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

তৃপ্তি দিমরির খোলামেলা স্বীকারোক্তি: অভিনেত্রী হওয়ার জন্য মরতেও প্রস্তুত ছিলেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / 659

ছবি সংগৃহীত

অভিনয়জগতে তাঁর পূর্বসূরি কেউ ছিলেন না। কিন্তু অভিনয়শিল্পী হওয়ার অদম্য ইচ্ছা বুকে নিয়ে উত্তরাখণ্ড থেকে মুম্বাইয়ে চলে আসেন তৃপ্তি দিমরি। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ধড়ক ২–এর প্রচারণায় তিনি ফিরে গেলেন সেই শুরুর দিনগুলোয়।

আবেগঘন কণ্ঠে তৃপ্তি বললেন, “আমি বিধি চরিত্রে অভিনয় করেছি, যে খুব সাহসী এক মেয়ে। বাস্তব জীবনেও আমি সাহস করে ঘর, পরিবার, পরিচিত শহর ছেড়ে একেবারে নতুন শহরে এসেছিলাম। পরিবারের সবার আপত্তি সত্ত্বেও আমার স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে এগিয়েছি। তখন মনে হয়েছিল, অভিনেত্রী হওয়ার জন্য জীবন দিতে হলেও রাজি।”

তিনি জানান, চরিত্রটির সঙ্গে নিজের পুরোপুরি মিল খুঁজে না পেলেও সাহসী মানসিকতা তাঁকে বদলে দিয়েছে। এখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি পান।

আরও পড়ুন  অভিনেত্রী শাওনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ধড়ক–এর সাফল্যের পর এর সিক্যুয়েল নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা ছিল বেশি। তবে তৃপ্তি বললেন, মুক্তির আগে তিনি কোনো চাপ নেন না—“চাপ নিলে অভিনয়ের আনন্দ নষ্ট হয়ে যায়। সিনেমা হিট বা ফ্লপ হবে সেটা না ভেবে পুরো প্রক্রিয়াটা উপভোগ করাই আসল।”

ধড়ক ২–এ আবেগ, রোমান্সের পাশাপাশি জাতপাত ও বর্ণবাদের মতো সামাজিক বাস্তবতাও উঠে এসেছে। তৃপ্তির মতে, “একটা ভালো সিনেমা মানুষকে সমৃদ্ধ করে, সংবেদনশীল করে তোলে। যদি এই ছবি কয়েকজনের মনেও পরিবর্তন আনতে পারে, তাহলেই সার্থকতা।”

সিদ্ধান্ত চতুর্বেদীর সঙ্গে তাঁর পর্দার রসায়ন নিয়েও তিনি বলেন, পরিচালক শাজিয়ার বিশেষ ওয়ার্কশপই তাঁদের মধ্যে সহজ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।

আট বছরের ক্যারিয়ারে বুলবুল, কলার মতো প্রশংসিত কাজ করেছেন তৃপ্তি। প্রথম দুই ছবির বক্স অফিস ব্যর্থতা নিয়েও কোনো আক্ষেপ নেই তাঁর—“প্রতিটি চরিত্রে সমানভাবে মনপ্রাণ ঢেলেছি। সফলতা-ব্যর্থতা নিয়ে না ভেবে কাজ করে যাই।”

শেষে তৃপ্তি বলেন, “আমার যাত্রা নিয়ে আমি খুশি। পথে ভুল করেছি, শিখেছি, ঠিক করেছি। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে আমার আফসোস নেই।”

নিউজটি শেয়ার করুন

তৃপ্তি দিমরির খোলামেলা স্বীকারোক্তি: অভিনেত্রী হওয়ার জন্য মরতেও প্রস্তুত ছিলেন

আপডেট সময় ১১:০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

অভিনয়জগতে তাঁর পূর্বসূরি কেউ ছিলেন না। কিন্তু অভিনয়শিল্পী হওয়ার অদম্য ইচ্ছা বুকে নিয়ে উত্তরাখণ্ড থেকে মুম্বাইয়ে চলে আসেন তৃপ্তি দিমরি। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ধড়ক ২–এর প্রচারণায় তিনি ফিরে গেলেন সেই শুরুর দিনগুলোয়।

আবেগঘন কণ্ঠে তৃপ্তি বললেন, “আমি বিধি চরিত্রে অভিনয় করেছি, যে খুব সাহসী এক মেয়ে। বাস্তব জীবনেও আমি সাহস করে ঘর, পরিবার, পরিচিত শহর ছেড়ে একেবারে নতুন শহরে এসেছিলাম। পরিবারের সবার আপত্তি সত্ত্বেও আমার স্বপ্নকে আঁকড়ে ধরে এগিয়েছি। তখন মনে হয়েছিল, অভিনেত্রী হওয়ার জন্য জীবন দিতে হলেও রাজি।”

তিনি জানান, চরিত্রটির সঙ্গে নিজের পুরোপুরি মিল খুঁজে না পেলেও সাহসী মানসিকতা তাঁকে বদলে দিয়েছে। এখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শক্তি পান।

আরও পড়ুন  ফের অন্তঃসত্ত্বা 'দৃশ্যম' অভিনেত্রী ঈশিতা দত্ত, প্রকাশ্যে বেবি বাম্প

২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়া ধড়ক–এর সাফল্যের পর এর সিক্যুয়েল নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা ছিল বেশি। তবে তৃপ্তি বললেন, মুক্তির আগে তিনি কোনো চাপ নেন না—“চাপ নিলে অভিনয়ের আনন্দ নষ্ট হয়ে যায়। সিনেমা হিট বা ফ্লপ হবে সেটা না ভেবে পুরো প্রক্রিয়াটা উপভোগ করাই আসল।”

ধড়ক ২–এ আবেগ, রোমান্সের পাশাপাশি জাতপাত ও বর্ণবাদের মতো সামাজিক বাস্তবতাও উঠে এসেছে। তৃপ্তির মতে, “একটা ভালো সিনেমা মানুষকে সমৃদ্ধ করে, সংবেদনশীল করে তোলে। যদি এই ছবি কয়েকজনের মনেও পরিবর্তন আনতে পারে, তাহলেই সার্থকতা।”

সিদ্ধান্ত চতুর্বেদীর সঙ্গে তাঁর পর্দার রসায়ন নিয়েও তিনি বলেন, পরিচালক শাজিয়ার বিশেষ ওয়ার্কশপই তাঁদের মধ্যে সহজ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।

আট বছরের ক্যারিয়ারে বুলবুল, কলার মতো প্রশংসিত কাজ করেছেন তৃপ্তি। প্রথম দুই ছবির বক্স অফিস ব্যর্থতা নিয়েও কোনো আক্ষেপ নেই তাঁর—“প্রতিটি চরিত্রে সমানভাবে মনপ্রাণ ঢেলেছি। সফলতা-ব্যর্থতা নিয়ে না ভেবে কাজ করে যাই।”

শেষে তৃপ্তি বলেন, “আমার যাত্রা নিয়ে আমি খুশি। পথে ভুল করেছি, শিখেছি, ঠিক করেছি। কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে আমার আফসোস নেই।”