ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বিসিবির বরাদ্দ ৬৫০ কিন্তু হাতে পায় ৩০০ টাকা ক্ষুব্ধ তামিম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / 98

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অভ্যন্তরে পারিশ্রমিক বণ্টনে বড় ধরনের অনিয়ম ও মধ্যস্বত্বভোগী চক্রের দৌরাত্ম্য দেখে তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বোর্ডের অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। বিসিবির পক্ষ থেকে নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য দৈনিক ৬৫০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও তারা হাতে পাচ্ছেন মাত্র ৩০০ টাকা। সোমবার বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটি কমপ্লেক্সে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধনকালে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন তিনি।

অনিয়মের এই বিষয়টি সামনে আসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ চলাকালে। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের গ্যালারির ওয়াশরুমের বেহাল দশা নিয়ে দর্শকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তামিম ইকবাল সরাসরি সেখানে পরিদর্শনে যান। তখন সেখানে দায়িত্বরত নারী কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে তাদের দৈনিক পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৩০০ টাকা। অথচ বোর্ড থেকে থার্ড পার্টি ক্লিনিং সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতি কর্মীর জন্য ৬৫০ টাকা করে বিল পরিশোধ করা হয়।

আরও পড়ুন  বিসিবির নতুন সভাপতি হতে যাচ্ছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল, পদত্যাগের পথে ফারুক আহমেদ

পরবর্তীতে বোর্ড সভাপতির ব্যক্তিগত অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, আনুষঙ্গিক খরচ বাদেও ক্লিনারদের জন্য ৫০০ টাকা বরাদ্দ থাকার কথা থাকলেও একটি অসাধু চক্র মাঝপথ থেকে টাকা আত্মসাৎ করছে। তামিম ইকবালের অভিযোগ অনুযায়ী, বোর্ডের ভেতর থেকেই একজন মধ্যস্বত্বভোগী জনপ্রতি ২০০ টাকা করে কেটে নিচ্ছেন, যার ফলে দরিদ্র কর্মীরা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া স্টেডিয়াম নির্মাণের পর থেকে ওয়াশরুমগুলোর যথাযথ সংস্কার না হওয়ায় বিদেশি পর্যটকদের কাছে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই অনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তামিম ইকবাল। তিনি জানিয়েছেন, আগামী সিরিজ থেকেই থার্ড পার্টি বা মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে নয়, বরং প্রত্যেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে সরাসরি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অন্তত ৫০০ টাকা করে ম্যাচপ্রতি পারিশ্রমিক প্রদান নিশ্চিত করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ থাকবে না এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিসিবির বরাদ্দ ৬৫০ কিন্তু হাতে পায় ৩০০ টাকা ক্ষুব্ধ তামিম

আপডেট সময় ০৭:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অভ্যন্তরে পারিশ্রমিক বণ্টনে বড় ধরনের অনিয়ম ও মধ্যস্বত্বভোগী চক্রের দৌরাত্ম্য দেখে তীব্র বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বোর্ডের অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। বিসিবির পক্ষ থেকে নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য দৈনিক ৬৫০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও তারা হাতে পাচ্ছেন মাত্র ৩০০ টাকা। সোমবার বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটি কমপ্লেক্সে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধনকালে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এই দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন তিনি।

অনিয়মের এই বিষয়টি সামনে আসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ চলাকালে। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের গ্যালারির ওয়াশরুমের বেহাল দশা নিয়ে দর্শকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তামিম ইকবাল সরাসরি সেখানে পরিদর্শনে যান। তখন সেখানে দায়িত্বরত নারী কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পারেন, হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে তাদের দৈনিক পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৩০০ টাকা। অথচ বোর্ড থেকে থার্ড পার্টি ক্লিনিং সার্ভিসের মাধ্যমে প্রতি কর্মীর জন্য ৬৫০ টাকা করে বিল পরিশোধ করা হয়।

আরও পড়ুন  প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে এপ্রিলে বাংলাদেশ সফরে আসছে শ্রীলঙ্কা নারী দল

পরবর্তীতে বোর্ড সভাপতির ব্যক্তিগত অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, আনুষঙ্গিক খরচ বাদেও ক্লিনারদের জন্য ৫০০ টাকা বরাদ্দ থাকার কথা থাকলেও একটি অসাধু চক্র মাঝপথ থেকে টাকা আত্মসাৎ করছে। তামিম ইকবালের অভিযোগ অনুযায়ী, বোর্ডের ভেতর থেকেই একজন মধ্যস্বত্বভোগী জনপ্রতি ২০০ টাকা করে কেটে নিচ্ছেন, যার ফলে দরিদ্র কর্মীরা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এছাড়া স্টেডিয়াম নির্মাণের পর থেকে ওয়াশরুমগুলোর যথাযথ সংস্কার না হওয়ায় বিদেশি পর্যটকদের কাছে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই অনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তামিম ইকবাল। তিনি জানিয়েছেন, আগামী সিরিজ থেকেই থার্ড পার্টি বা মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে নয়, বরং প্রত্যেক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে সরাসরি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অন্তত ৫০০ টাকা করে ম্যাচপ্রতি পারিশ্রমিক প্রদান নিশ্চিত করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ থাকবে না এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি প্রদান করেন।