ঢাকা ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ: ফিফা সভাপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1361

ছবি : সংগৃহীত

 

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন স্বপ্নের কথা শোনালেন ফুটবল ভক্তদের প্রত্যাশা মেটাতে । তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশ একদিন ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে আর সেই দিন হয়তো খুব বেশি দূরে নয়। গত শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন ইনফান্তিনো।

প্রশ্ন ছিল সরল। ‘বাংলাদেশ কি কোনো দিন বিশ্বকাপে খেলতে পারবে?’ কিন্তু উত্তরে ফুটবল বিশ্বের শীর্ষ ব্যক্তির কণ্ঠে ছিল আশাবাদ ও শ্রদ্ধা। ইনফান্তিনো বলেন, ‘অবশ্যই বাংলাদেশ ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে পারে। ফিফার লক্ষ্যই হলো বাংলাদেশসহ যেসব দেশ এখনো বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি, তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা।’ এই মন্তব্যে তার দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে। এমন একটি বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখেন তিনি, যেখানে ফুটবলের আনন্দ ও প্রতিযোগিতা বিশ্বের প্রতিটি কোণে পৌঁছে যাবে।

আরও পড়ুন  ২০২৫ সালে শিল্পের সঙ্গে শিল্পোউদ্যোক্তাদেরও মেরে ফেলা হচ্ছে: বিটিএমএ সভাপতি

বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে ইনফান্তিনোর মূল্যায়ন আরও অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ একটি দারুণ ফুটবলপ্রেমী দেশ। এখানে ফুটবলের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। দেশটির সত্যিই একটি সুযোগ আছে। বাংলাদেশে ফুটবল ও ফুটবলের সঙ্গে জড়িত মানুষদের উন্নয়নে বড় বিনিয়োগ করছে ফিফা।’

ইনফান্তিনোর এই বক্তব্য কেবল সৌজন্যমূলক নয়। এটি বাস্তবতারও প্রতিফলন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে বাংলাদেশে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া পর্যায়ে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ বেড়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফুটবল অবকাঠামোও ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছে। ফিফা সভাপতি আরও বলেন, ‘প্রতিভা সারা পৃথিবীতেই আছে। বাংলাদেশেও আছে। আমরা চাইছি, খুব শিগগিরই বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখতে।’

এই সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালী বক্তব্যে লুকিয়ে আছে আকাশছোঁয়া এক অনুপ্রেরণা। ইনফান্তিনো বিশ্বাস করেন, প্রতিভা কোনো একক দেশের সম্পত্তি নয়। এটি ছড়িয়ে আছে পৃথিবীর প্রতিটি কোণে। সেই প্রতিভাকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দেওয়াই ফিফার দায়িত্ব। ফিফার সাম্প্রতিক প্রকল্পগুলোও তারই ইঙ্গিত দেয়। বাংলাদেশে ফুটবল অবকাঠামো, কোচিং শিক্ষা, রেফারি উন্নয়ন ও তরুণদের ট্যালেন্ট প্রোগ্রামে ফিফার বিনিয়োগ বেড়েছে কয়েকগুণ। শুধু মাঠ নয়, মাঠের বাইরের দিকেও গড়ে উঠছে সেই বিশ্বমানের ভিত্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ: ফিফা সভাপতি

আপডেট সময় ০২:৪০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন স্বপ্নের কথা শোনালেন ফুটবল ভক্তদের প্রত্যাশা মেটাতে । তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশ একদিন ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে আর সেই দিন হয়তো খুব বেশি দূরে নয়। গত শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন ইনফান্তিনো।

প্রশ্ন ছিল সরল। ‘বাংলাদেশ কি কোনো দিন বিশ্বকাপে খেলতে পারবে?’ কিন্তু উত্তরে ফুটবল বিশ্বের শীর্ষ ব্যক্তির কণ্ঠে ছিল আশাবাদ ও শ্রদ্ধা। ইনফান্তিনো বলেন, ‘অবশ্যই বাংলাদেশ ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে পারে। ফিফার লক্ষ্যই হলো বাংলাদেশসহ যেসব দেশ এখনো বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি, তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা।’ এই মন্তব্যে তার দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে উঠেছে। এমন একটি বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখেন তিনি, যেখানে ফুটবলের আনন্দ ও প্রতিযোগিতা বিশ্বের প্রতিটি কোণে পৌঁছে যাবে।

আরও পড়ুন  বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান লড়াই, আফ্রিদির মতে ‘ক্রিকেটের জয়’

বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে ইনফান্তিনোর মূল্যায়ন আরও অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ একটি দারুণ ফুটবলপ্রেমী দেশ। এখানে ফুটবলের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। দেশটির সত্যিই একটি সুযোগ আছে। বাংলাদেশে ফুটবল ও ফুটবলের সঙ্গে জড়িত মানুষদের উন্নয়নে বড় বিনিয়োগ করছে ফিফা।’

ইনফান্তিনোর এই বক্তব্য কেবল সৌজন্যমূলক নয়। এটি বাস্তবতারও প্রতিফলন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে বাংলাদেশে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া পর্যায়ে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ বেড়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফুটবল অবকাঠামোও ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছে। ফিফা সভাপতি আরও বলেন, ‘প্রতিভা সারা পৃথিবীতেই আছে। বাংলাদেশেও আছে। আমরা চাইছি, খুব শিগগিরই বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখতে।’

এই সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালী বক্তব্যে লুকিয়ে আছে আকাশছোঁয়া এক অনুপ্রেরণা। ইনফান্তিনো বিশ্বাস করেন, প্রতিভা কোনো একক দেশের সম্পত্তি নয়। এটি ছড়িয়ে আছে পৃথিবীর প্রতিটি কোণে। সেই প্রতিভাকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দেওয়াই ফিফার দায়িত্ব। ফিফার সাম্প্রতিক প্রকল্পগুলোও তারই ইঙ্গিত দেয়। বাংলাদেশে ফুটবল অবকাঠামো, কোচিং শিক্ষা, রেফারি উন্নয়ন ও তরুণদের ট্যালেন্ট প্রোগ্রামে ফিফার বিনিয়োগ বেড়েছে কয়েকগুণ। শুধু মাঠ নয়, মাঠের বাইরের দিকেও গড়ে উঠছে সেই বিশ্বমানের ভিত্তি।