ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

তাইজুলের ঘূর্ণিতে চট্টগ্রামে ধুঁকছে জিম্বাবুয়ে, স্বস্তি নিয়ে প্রথম দিন শেষ টাইগারদের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
  • / 349

ছবি সংগৃহীত

 

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে চট্টগ্রামের উইকেটে শুরুটা ভালোই করেছিল জিম্বাবুয়ে। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৪১ রান। তানজিম হাসান সাকিব ২১ রানে ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন বাংলাদেশকে। এরপর বেন কারানও থিতু হলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ২১ রান করে তাকে ফিরিয়ে দেন তাইজুল ইসলাম। প্রথম সেশনে ২ উইকেট হারালেও দ্বিতীয় সেশনটা নিজেদের করে নেয় জিম্বাবুয়ে। উইলিয়ামস ও ওয়েলচের দৃঢ়তায় বড় স্কোরের আভাস দিচ্ছিল সফরকারীরা।

দলীয় ৭২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর উইলিয়ামস ও ওয়েলচ মিলে গড়েন ১০৫ রানের জুটি। স্কোর ১৭৭-এ পৌঁছায়। তবে তৃতীয় সেশনে নাঈম হাসানের জোড়া আঘাতে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। দলীয় ১৭৭ রানে তিনি ফিরিয়ে দেন ক্রেইগ আরভিনকে। পরের বলেই থামিয়ে দেন উইলিয়ামসকেও। দুই সেট ব্যাটারকে ফিরিয়ে স্বস্তি ফেরান টাইগার শিবিরে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে আসছে ৯০ দিনের মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে স্টারলিংক ইন্টারনেট: বাণিজ্যিক সম্প্রচারে বড় অগ্রগতি

এরপর শুরু হয় তাইজুলের ঘূর্ণির জাদু। একে একে ফিরিয়ে দেন মাধেভেরে, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, রিচার্ড এনগারাভা ও নিক ওয়েলচকে। ৩৯ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। মাধেভেরে ১৫, মাসাকাদজা ৬, এনগারাভা শূন্য আর ওয়েলচ করেন ৮ রান। গোল্ডেন ডাক মেরে ফেরেন এনগারাভা।

দিনের শেষ দিকে উইকেটরক্ষক সিগা ও ব্লেসিং মুজারাবানি মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে দিন শেষে ৯ উইকেটে ২২৭ রান তুলে মাঠ ছাড়ে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম নেন ৫ উইকেট, নাঈম হাসান ২টি ও তানজিম হাসান সাকিব ১টি উইকেট শিকার করেন।

প্রথম দিনের খেলা শেষে পাল্লা ভারি বাংলাদেশের দিকেই। দ্বিতীয় দিন শুরুতে জিম্বাবুয়ের শেষ উইকেট তুলে নিতে পারলে, চট্টগ্রাম টেস্টে শক্ত অবস্থানে যেতে পারবে টাইগাররা।

নিউজটি শেয়ার করুন

তাইজুলের ঘূর্ণিতে চট্টগ্রামে ধুঁকছে জিম্বাবুয়ে, স্বস্তি নিয়ে প্রথম দিন শেষ টাইগারদের

আপডেট সময় ০৭:২১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

 

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে চট্টগ্রামের উইকেটে শুরুটা ভালোই করেছিল জিম্বাবুয়ে। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৪১ রান। তানজিম হাসান সাকিব ২১ রানে ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন বাংলাদেশকে। এরপর বেন কারানও থিতু হলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ২১ রান করে তাকে ফিরিয়ে দেন তাইজুল ইসলাম। প্রথম সেশনে ২ উইকেট হারালেও দ্বিতীয় সেশনটা নিজেদের করে নেয় জিম্বাবুয়ে। উইলিয়ামস ও ওয়েলচের দৃঢ়তায় বড় স্কোরের আভাস দিচ্ছিল সফরকারীরা।

দলীয় ৭২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর উইলিয়ামস ও ওয়েলচ মিলে গড়েন ১০৫ রানের জুটি। স্কোর ১৭৭-এ পৌঁছায়। তবে তৃতীয় সেশনে নাঈম হাসানের জোড়া আঘাতে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। দলীয় ১৭৭ রানে তিনি ফিরিয়ে দেন ক্রেইগ আরভিনকে। পরের বলেই থামিয়ে দেন উইলিয়ামসকেও। দুই সেট ব্যাটারকে ফিরিয়ে স্বস্তি ফেরান টাইগার শিবিরে।

আরও পড়ুন  মোটরসাইকেলে এসে ছাত্রদল নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা

এরপর শুরু হয় তাইজুলের ঘূর্ণির জাদু। একে একে ফিরিয়ে দেন মাধেভেরে, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, রিচার্ড এনগারাভা ও নিক ওয়েলচকে। ৩৯ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। মাধেভেরে ১৫, মাসাকাদজা ৬, এনগারাভা শূন্য আর ওয়েলচ করেন ৮ রান। গোল্ডেন ডাক মেরে ফেরেন এনগারাভা।

দিনের শেষ দিকে উইকেটরক্ষক সিগা ও ব্লেসিং মুজারাবানি মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে দিন শেষে ৯ উইকেটে ২২৭ রান তুলে মাঠ ছাড়ে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম নেন ৫ উইকেট, নাঈম হাসান ২টি ও তানজিম হাসান সাকিব ১টি উইকেট শিকার করেন।

প্রথম দিনের খেলা শেষে পাল্লা ভারি বাংলাদেশের দিকেই। দ্বিতীয় দিন শুরুতে জিম্বাবুয়ের শেষ উইকেট তুলে নিতে পারলে, চট্টগ্রাম টেস্টে শক্ত অবস্থানে যেতে পারবে টাইগাররা।