ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা নিহত, আহত অন্তত ১৫ জন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / 499

ছবি সংগৃহীত

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের চাতলপাড় বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকায় বসা নিয়ে দ্বন্দ্ব: সহযাত্রীর ঘুষিতে১ জনের মৃত্যু

নিহত ছাত্রদল নেতার নাম সোহরাব মিয়া (২৮)। তিনি কাঁঠালকান্দি গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে এবং চাতলপাড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক ছিলেন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কাঁঠালকান্দি গ্রামের উল্টা গোষ্ঠী ও মোল্লা গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। শনিবার সকালে এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে দুপুরের দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। এ সময় মোল্লা গোষ্ঠীর সমর্থক সোহরাব মিয়া গুরুতর জখম হন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সহিংসতা যাতে না ছড়ায়, সে জন্য এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তপন সরকার জানান, কয়েক মাস ধরেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে শনিবারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে একজন নিহত এবং অনেকে আহত হন। ঘটনার পরপরই পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। তিনি আরও জানান, ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, আধিপত্যের দ্বন্দ্বের কারণে এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সতর্ক রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা নিহত, আহত অন্তত ১৫ জন

আপডেট সময় ০৭:২৭:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। শনিবার (৫ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের চাতলপাড় বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন  নদী-হাওরের মৃত্যু আর মাছশূন্য জীবিকা: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলেদের হাহাকার

নিহত ছাত্রদল নেতার নাম সোহরাব মিয়া (২৮)। তিনি কাঁঠালকান্দি গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে এবং চাতলপাড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক ছিলেন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কাঁঠালকান্দি গ্রামের উল্টা গোষ্ঠী ও মোল্লা গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। শনিবার সকালে এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে দুপুরের দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। এ সময় মোল্লা গোষ্ঠীর সমর্থক সোহরাব মিয়া গুরুতর জখম হন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সহিংসতা যাতে না ছড়ায়, সে জন্য এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তপন সরকার জানান, কয়েক মাস ধরেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে শনিবারের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে একজন নিহত এবং অনেকে আহত হন। ঘটনার পরপরই পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। তিনি আরও জানান, ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, আধিপত্যের দ্বন্দ্বের কারণে এলাকায় এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সতর্ক রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।