ঢাকা ০৪:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত জন্মের ১০০ বছরে উত্তম কুমার, দুই বাংলার দর্শকের ভালোবাসায় অমর মহানায়ক বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে হবে, তারিখ ঘোষণা ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ তাবলিগ জামাতের মাওলানা এহসানুল হক আর নেই বৃষ্টির ফোঁটা থেকেই বিদ্যুৎ! নতুন সম্ভাবনা দেখছেন গবেষকরা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি জানালো গণ অধিকার পরিষদ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 513

ছবি সংগৃহীত

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদের দেশত্যাগে সহযোগিতার অভিযোগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেছে গণ অধিকার পরিষদ। তারা দাবি করেছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় দেশব্যাপী আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করে গণ অধিকার পরিষদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান। ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খানের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করে।

আরও পড়ুন  এক দফা এক দাবি: জাহাঙ্গীরের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ

স্মারকলিপিতে বলা হয়, “গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সহায়তায় ‘ডামি রাষ্ট্রপতি’ ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদ বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাত ৩টা ৫ মিনিটে তার ছেলে ও শ্যালকসহ দেশত্যাগ করেছেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কীভাবে এমন একজন ব্যক্তিকে দেশত্যাগে সহায়তা করলেন? এই ঘটনার দায়ভার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নিতে হবে।”

গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দেশত্যাগে সহযোগিতার যথাযথ ব্যাখ্যা, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং আবদুল হামিদকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া না হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, “এই সরকার ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফসল। জুলাই গণহত্যার বিচার, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা, রাষ্ট্র সংস্কার, আহতদের পুনর্বাসন এবং শহীদদের মর্যাদা দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের কাঁধে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, সেই দায়িত্ব পালন না করে আপনারা ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। এটা জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”

সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের বর্তমান অবস্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, “গণ-অভ্যুত্থানের অংশীজনদের পক্ষ থেকে আমরা আপনাদের প্রতি ধিক্কার ও ঘৃণা জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি জানালো গণ অধিকার পরিষদ

আপডেট সময় ০৮:৩০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদের দেশত্যাগে সহযোগিতার অভিযোগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেছে গণ অধিকার পরিষদ। তারা দাবি করেছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় দেশব্যাপী আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করে গণ অধিকার পরিষদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান। ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খানের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করে।

আরও পড়ুন  হার্জি হালেভি তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন - তারা মিশনে ব্যর্থ

স্মারকলিপিতে বলা হয়, “গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সহায়তায় ‘ডামি রাষ্ট্রপতি’ ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদ বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাত ৩টা ৫ মিনিটে তার ছেলে ও শ্যালকসহ দেশত্যাগ করেছেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কীভাবে এমন একজন ব্যক্তিকে দেশত্যাগে সহায়তা করলেন? এই ঘটনার দায়ভার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নিতে হবে।”

গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দেশত্যাগে সহযোগিতার যথাযথ ব্যাখ্যা, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং আবদুল হামিদকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া না হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, “এই সরকার ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফসল। জুলাই গণহত্যার বিচার, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা, রাষ্ট্র সংস্কার, আহতদের পুনর্বাসন এবং শহীদদের মর্যাদা দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের কাঁধে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, সেই দায়িত্ব পালন না করে আপনারা ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। এটা জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”

সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের বর্তমান অবস্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, “গণ-অভ্যুত্থানের অংশীজনদের পক্ষ থেকে আমরা আপনাদের প্রতি ধিক্কার ও ঘৃণা জানাচ্ছি।