ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
দেশে ফিরে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলেন মির্জা আব্বাস সকল ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ আফগানিস্তানে পেজেশকিয়ানের সঙ্গে মোদির বৈঠকের পর ভারতকে সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র জুম চাষ: পাহাড়ের মাটি ও মানুষের জীবনের শত বছরের ঐতিহ্য তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ মির্জা আব্বাস দেশে ফিরে; যোগ দিয়েছেন নিজ দাফতরিক কাজে উল্টোপথে গাড়ি চালানোর অভিযোগে মন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা ছাত্রদলের পুস্তিকা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করলেন রিজভী সাংবাদিকের লেখায় যেন কারও জীবন, ক্যারিয়ার ও মানসম্মান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়: তথ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে দুই সপ্তাহের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী অমিত
তথ্য উপদেষ্টা

বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশি শক্তিনির্ভর ছাত্র রাজনীতির অবসান প্রয়োজন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 433

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পেশিশক্তিনির্ভর ছাত্ররাজনীতির অবসান জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক রাজনৈতিক চর্চার পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে তরুণরা দেশ গঠনের নেতৃত্ব দিতে পারে।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে (পিআইবি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘তারুণ্যের উৎসব’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  সাভারের ককটেল বিস্ফোরণে প্রশাসনের ইন্ধনের অভিযোগ নাহিদ ইসলামের

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে নতুন প্রজন্ম তৈরি হয়েছে, তারা আগামী দুই দশক বাংলাদেশকে প্রভাবিত করবে। তরুণদের দেশ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে, তাদের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যে সরকার বা রাজনৈতিক দল তরুণদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করবে, তারাই ভবিষ্যতে সফল হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশ তরুণদের ওপর নির্ভর করছে।”

বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে এবং গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।”

সরকার তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলে জানান নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “তরুণদেরও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে হবে। তাদের দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ ঘটাতে হবে, যাতে তারা দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাঙ্গনে ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ছাত্ররাজনীতির নামে সহিংসতা ও পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধ হওয়া জরুরি। তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটিয়ে তাদের দেশ গঠনের মূলধারায় আনতে হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

তথ্য উপদেষ্টা

বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশি শক্তিনির্ভর ছাত্র রাজনীতির অবসান প্রয়োজন

আপডেট সময় ১০:২২:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ঢাকা: বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পেশিশক্তিনির্ভর ছাত্ররাজনীতির অবসান জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতিবাচক রাজনৈতিক চর্চার পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে তরুণরা দেশ গঠনের নেতৃত্ব দিতে পারে।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে (পিআইবি) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘তারুণ্যের উৎসব’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  সাভারের ককটেল বিস্ফোরণে প্রশাসনের ইন্ধনের অভিযোগ নাহিদ ইসলামের

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে নতুন প্রজন্ম তৈরি হয়েছে, তারা আগামী দুই দশক বাংলাদেশকে প্রভাবিত করবে। তরুণদের দেশ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে, তাদের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যে সরকার বা রাজনৈতিক দল তরুণদের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করবে, তারাই ভবিষ্যতে সফল হবে। আগামী দিনের বাংলাদেশ তরুণদের ওপর নির্ভর করছে।”

বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে এবং গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।”

সরকার তরুণদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলে জানান নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, “তরুণদেরও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন সামাজিক ও সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে হবে। তাদের দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ ঘটাতে হবে, যাতে তারা দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাঙ্গনে ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। ছাত্ররাজনীতির নামে সহিংসতা ও পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধ হওয়া জরুরি। তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটিয়ে তাদের দেশ গঠনের মূলধারায় আনতে হবে।”