ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

কারিগরি শিক্ষার কার্যকর সংযোগ বাড়ানোর তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 11

ছবি: সংগৃহীত

দেশের কারিগরি শিক্ষাকে শিল্প খাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানার মধ্যে কার্যকর সংযোগ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে কারিগরি শিক্ষাকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও শিল্প খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে।

আরও পড়ুন  কারিগরি শিক্ষায় মানোন্নয়নে পলিটেকনিকে ভর্তিতে আসছে নতুন নিয়ম

তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে শিল্প খাতের কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করা জরুরি।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষায় সহযোগিতার নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্প খাতের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সরকারের শিক্ষা পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান, যেখানে শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার সুযোগ পাবে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে ড. মিলন বলেন, তাদের প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চীনের সঙ্গে সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা এখনো বজায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ওই সফরকে সফল উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

এ সময় গত মাসে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষরের কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী। তবে চুক্তিটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কারিগরি শিক্ষার কার্যকর সংযোগ বাড়ানোর তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর

আপডেট সময় ০২:১৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

দেশের কারিগরি শিক্ষাকে শিল্প খাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানার মধ্যে কার্যকর সংযোগ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে কারিগরি শিক্ষাকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও শিল্প খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে।

আরও পড়ুন  শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে স্কেলের প্রস্তাব শিক্ষামন্ত্রীর

তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তি ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে শিল্প খাতের কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করা জরুরি।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা, বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষায় সহযোগিতার নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্প খাতের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সরকারের শিক্ষা পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান, যেখানে শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার সুযোগ পাবে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সরকার কাজ করছে।

শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে ড. মিলন বলেন, তাদের প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চীনের সঙ্গে সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়াতে আগ্রহী বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। সেই সম্পর্কের ধারাবাহিকতা এখনো বজায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত জুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ওই সফরকে সফল উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

এ সময় গত মাসে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষরের কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী। তবে চুক্তিটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।