ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে শত বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের প্রতিকৃতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির রেকর্ড স্মৃতি মন্ধানার কিংবদন্তি গাজী মাজহারুলের প্রয়াণ দিবস আজ

কারিগরি শিক্ষায় মানোন্নয়নে পলিটেকনিকে ভর্তিতে আসছে নতুন নিয়ম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 543

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের কারিগরি শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি ও আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বাছাই করতে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষার চিন্তাভাবনা চলছে। সম্ভাব্যভাবে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নতুন পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন  দাবি আদায়ে দেশজুড়ে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের

তিনি বলেন, “কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করে ভর্তি নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এতে আগ্রহী ও প্রস্তুত শিক্ষার্থীরাই কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত হবে, যা সামগ্রিকভাবে শিক্ষার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।”

বর্তমানে এসএসসি পাস করলেই সরাসরি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে এই ব্যবস্থায় অনেক সময় এমন শিক্ষার্থীরাও ভর্তি হয়, যারা আগ্রহহীন বা মানসিকভাবে প্রস্তুত নয়। ফলে কোর্সের ফলাফল এবং সামগ্রিক শিক্ষার মান ব্যাহত হয়।

ড. কবিরুল ইসলাম আরও জানান, “ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই, কারিগরি শিক্ষায় কেবল তারাই আসুক, যারা সত্যিকার অর্থে আগ্রহী ও সক্ষম। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ফলপ্রসূ হবে এবং প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ফিরবে।”

নতুন এই ভর্তিপদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের একটি মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। তার মধ্যে ৭০ নম্বর থাকবে এমসিকিউ পরীক্ষার মাধ্যমে এবং বাকি ৩০ নম্বর একাডেমিক ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।

এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি, দেশের কারিগরি শিক্ষা খাতকে আরও কার্যকর ও গুণগতমানসম্পন্ন করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, সময়োপযোগী এই সিদ্ধান্ত কারিগরি শিক্ষাকে আরও জনপ্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কারিগরি শিক্ষায় মানোন্নয়নে পলিটেকনিকে ভর্তিতে আসছে নতুন নিয়ম

আপডেট সময় ০৭:২০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

দেশের কারিগরি শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি ও আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বাছাই করতে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষার চিন্তাভাবনা চলছে। সম্ভাব্যভাবে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নতুন পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন  ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মানোন্নয়ন ও মূল্য হ্রাসে আইনি নোটিশ

তিনি বলেন, “কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করে ভর্তি নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এতে আগ্রহী ও প্রস্তুত শিক্ষার্থীরাই কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত হবে, যা সামগ্রিকভাবে শিক্ষার মানোন্নয়নে সহায়ক হবে।”

বর্তমানে এসএসসি পাস করলেই সরাসরি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে এই ব্যবস্থায় অনেক সময় এমন শিক্ষার্থীরাও ভর্তি হয়, যারা আগ্রহহীন বা মানসিকভাবে প্রস্তুত নয়। ফলে কোর্সের ফলাফল এবং সামগ্রিক শিক্ষার মান ব্যাহত হয়।

ড. কবিরুল ইসলাম আরও জানান, “ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই, কারিগরি শিক্ষায় কেবল তারাই আসুক, যারা সত্যিকার অর্থে আগ্রহী ও সক্ষম। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ফলপ্রসূ হবে এবং প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ফিরবে।”

নতুন এই ভর্তিপদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের একটি মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। তার মধ্যে ৭০ নম্বর থাকবে এমসিকিউ পরীক্ষার মাধ্যমে এবং বাকি ৩০ নম্বর একাডেমিক ফলাফলের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।

এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি, দেশের কারিগরি শিক্ষা খাতকে আরও কার্যকর ও গুণগতমানসম্পন্ন করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, সময়োপযোগী এই সিদ্ধান্ত কারিগরি শিক্ষাকে আরও জনপ্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলবে।