ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ: প্রতিমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 19

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সব পাঠ্যবই আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে সরবরাহ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে পাঠ্যবই মুদ্রণে নির্ধারিত মান ও স্পেসিফিকেশন অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে পুরোনো মেশিনে মুদ্রণকাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর কাজ দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর মাতুয়াইলে বর্ণমালা প্রেস ও গ্লোবাল প্রিন্টিং ইকুইপমেন্ট পরিদর্শনকালে এসব নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি বই মুদ্রণের প্রক্রিয়া, ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, কাগজের মান এবং ছাপার গুণগত দিক সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে ববি হাজ্জাজ বলেন, পাঠ্যবই মুদ্রণের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থ নির্ধারিত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করা। কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকলে দরপত্রে অংশ নেওয়ার আগেই তা বিবেচনায় নিতে হবে। মুদ্রণযন্ত্রের সক্ষমতা কিংবা কারিগরি সীমাবদ্ধতার অজুহাতে বইয়ের মানের সঙ্গে আপস করা যাবে না। সরকার যে মানের বই সরবরাহের জন্য কাজ দিয়েছে, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের।

আরও পড়ুন  ৯ ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানোর নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি

বইয়ের ছাপার মান যাচাই করতে গিয়ে কয়েকটি বইয়ে রঙের বিন্যাস ও অ্যালাইনমেন্টে অসংগতি দেখতে পান প্রতিমন্ত্রী। এ ধরনের ত্রুটি যাতে উৎপাদিত বইয়ের বড় অংশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন তিনি। পাশাপাশি মুদ্রণকাজের মান নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু মুদ্রণকাজ শেষ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; প্রতিটি বই নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী ছাপা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে অবহেলা কিংবা নিম্নমানের কাজ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব বই সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আধুনিক ও পর্যাপ্ত সক্ষমতাসম্পন্ন মুদ্রণযন্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নিতেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেন ববি হাজ্জাজ।

পরিদর্শনকালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

18

নিউজটি শেয়ার করুন

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সব পাঠ্যবই আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে সরবরাহ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে পাঠ্যবই মুদ্রণে নির্ধারিত মান ও স্পেসিফিকেশন অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, আগামী বছর থেকে পুরোনো মেশিনে মুদ্রণকাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর কাজ দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর মাতুয়াইলে বর্ণমালা প্রেস ও গ্লোবাল প্রিন্টিং ইকুইপমেন্ট পরিদর্শনকালে এসব নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি বই মুদ্রণের প্রক্রিয়া, ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, কাগজের মান এবং ছাপার গুণগত দিক সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে ববি হাজ্জাজ বলেন, পাঠ্যবই মুদ্রণের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থ নির্ধারিত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করা। কোনো ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকলে দরপত্রে অংশ নেওয়ার আগেই তা বিবেচনায় নিতে হবে। মুদ্রণযন্ত্রের সক্ষমতা কিংবা কারিগরি সীমাবদ্ধতার অজুহাতে বইয়ের মানের সঙ্গে আপস করা যাবে না। সরকার যে মানের বই সরবরাহের জন্য কাজ দিয়েছে, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের।

আরও পড়ুন  নসরুল হামিদের ফ্ল্যাট-গাড়ি ও ৩৭ কোটি টাকা জব্দের নির্দেশ

বইয়ের ছাপার মান যাচাই করতে গিয়ে কয়েকটি বইয়ে রঙের বিন্যাস ও অ্যালাইনমেন্টে অসংগতি দেখতে পান প্রতিমন্ত্রী। এ ধরনের ত্রুটি যাতে উৎপাদিত বইয়ের বড় অংশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন তিনি। পাশাপাশি মুদ্রণকাজের মান নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু মুদ্রণকাজ শেষ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; প্রতিটি বই নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী ছাপা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের হাতে মানসম্মত পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে অবহেলা কিংবা নিম্নমানের কাজ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব বই সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আধুনিক ও পর্যাপ্ত সক্ষমতাসম্পন্ন মুদ্রণযন্ত্র ব্যবহারের প্রস্তুতি নিতেও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেন ববি হাজ্জাজ।

পরিদর্শনকালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট মুদ্রণপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

18