ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

১০১ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 21

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ১০১ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ সম্মাননা পদক দিয়েছে সরকার। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্মাননা হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষককে দুই লাখ টাকা ও একটি করে ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছে। জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি যাচাই-বাছাই করে ৯৫ জন শিক্ষককে চূড়ান্ত করে। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় আরও ছয়জন শিক্ষককে নির্বাচিত করা হয়।

তবে সম্মাননা পাওয়া শিক্ষকদের কারও বিরুদ্ধে পরবর্তীতে বিরূপ মন্তব্য বা তথ্য পাওয়া গেলে তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  সব ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়েই দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

ইউনেস্কো ঘোষিত এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য—‘শিক্ষকদের পাশে: পেশার সুরক্ষায় ৬০ বছর, মর্যাদা এগিয়ে নেওয়া এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়া’। শিক্ষা ও সমাজ গঠনে শিক্ষকদের অবদান স্মরণ এবং যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করাই দিবসটির মূল উদ্দেশ্য।

সম্মাননার তালিকায় প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন শিক্ষক রয়েছেন। তাদের মধ্যে সাধারণ শিক্ষার আটজন ও মাদ্রাসার দুজন। মাধ্যমিক পর্যায়ে সম্মাননা পেয়েছেন ২০ জন—সাধারণ মাধ্যমিকের ১০, কারিগরি শিক্ষার পাঁচ এবং মাদ্রাসার পাঁচজন।

কলেজ পর্যায়ে ২৫ জনের মধ্যে সাধারণ শিক্ষার ১৫, কারিগরি শিক্ষার পাঁচ এবং মাদ্রাসার পাঁচজন রয়েছেন। সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সম্মাননা পেয়েছেন ২০ জন শিক্ষক। তাদের মধ্যে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন।

এ ছাড়া চিকিৎসা শিক্ষায় ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় নির্বাচিত আরও ছয়জনও তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

গুণী শিক্ষক নির্বাচনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন পৃথক সার্চ কমিটি গঠন করে। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে সুপারিশ করা প্যানেল থেকে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদন করে।

তথ্যগত অসঙ্গতি: প্রতিবেদনের শুরুতে সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষকের সংখ্যা ১০১ জন বলা হলেও পরবর্তী শ্রেণিভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী মোট সংখ্যা ১০২ জন দাঁড়ায়। মূল তথ্য অক্ষুণ্ন রাখতে সংখ্যাগুলো পরিবর্তন করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

১০১ শিক্ষককে বিশেষ সম্মাননা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৫:২১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ১০১ জন গুণী শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ সম্মাননা পদক দিয়েছে সরকার। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্মাননা হিসেবে প্রত্যেক শিক্ষককে দুই লাখ টাকা ও একটি করে ক্রেস্ট দেওয়া হয়েছে। জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি যাচাই-বাছাই করে ৯৫ জন শিক্ষককে চূড়ান্ত করে। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় আরও ছয়জন শিক্ষককে নির্বাচিত করা হয়।

তবে সম্মাননা পাওয়া শিক্ষকদের কারও বিরুদ্ধে পরবর্তীতে বিরূপ মন্তব্য বা তথ্য পাওয়া গেলে তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  ড্যাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

ইউনেস্কো ঘোষিত এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য—‘শিক্ষকদের পাশে: পেশার সুরক্ষায় ৬০ বছর, মর্যাদা এগিয়ে নেওয়া এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়া’। শিক্ষা ও সমাজ গঠনে শিক্ষকদের অবদান স্মরণ এবং যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা আরও সুদৃঢ় করাই দিবসটির মূল উদ্দেশ্য।

সম্মাননার তালিকায় প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন শিক্ষক রয়েছেন। তাদের মধ্যে সাধারণ শিক্ষার আটজন ও মাদ্রাসার দুজন। মাধ্যমিক পর্যায়ে সম্মাননা পেয়েছেন ২০ জন—সাধারণ মাধ্যমিকের ১০, কারিগরি শিক্ষার পাঁচ এবং মাদ্রাসার পাঁচজন।

কলেজ পর্যায়ে ২৫ জনের মধ্যে সাধারণ শিক্ষার ১৫, কারিগরি শিক্ষার পাঁচ এবং মাদ্রাসার পাঁচজন রয়েছেন। সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সম্মাননা পেয়েছেন ২০ জন শিক্ষক। তাদের মধ্যে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন।

এ ছাড়া চিকিৎসা শিক্ষায় ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনজন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষক রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় নির্বাচিত আরও ছয়জনও তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

গুণী শিক্ষক নির্বাচনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন পৃথক সার্চ কমিটি গঠন করে। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে সুপারিশ করা প্যানেল থেকে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদন করে।

তথ্যগত অসঙ্গতি: প্রতিবেদনের শুরুতে সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষকের সংখ্যা ১০১ জন বলা হলেও পরবর্তী শ্রেণিভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী মোট সংখ্যা ১০২ জন দাঁড়ায়। মূল তথ্য অক্ষুণ্ন রাখতে সংখ্যাগুলো পরিবর্তন করা হয়নি।