ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’; প্রান্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 126

ছবি: সংগৃহীত

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে মূল্যস্ফীতির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সরকার নতুন টাকা ছাপিয়ে এই সহায়তা দিচ্ছে না, ফলে বাজারে বাড়তি মুদ্রাস্ফীতির চাপ তৈরি হবে না। বরং এই অর্থ প্রান্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু হতে যাচ্ছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ১০টি জেলায় প্রায় ২২ হাজার কৃষককে এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লক্ষ কৃষকের তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের সকল কৃষককে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

বাজেট ও কার্ডের সুবিধা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান:

আরও পড়ুন  তারেক রহমানকে অভিনন্দন জা‌নালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

কৃষি কার্ড: এই কার্ডধারী কৃষকরা বছরে আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা পাবেন।
ফ্যামিলি কার্ড: এই কার্ডধারী নারীরা প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন।
তিনি বলেন, “আমরা প্রতি মাসে এই কর্মসূচির পরিধি বাড়াতে থাকব। পৃথিবীর কোনো দেশের পক্ষেই একবারে সবাইকে এই সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। সেজন্য প্রতি বছরই বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।”

মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু আমরা টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না, সেহেতু মূল্যস্ফীতি হবে না। এই টাকা যখন প্রান্তিক পর্যায়ের নারী ও কৃষকদের হাতে যাবে, তারা তা বিদেশে পাচার করবেন না। বরং সেই টাকা স্থানীয় বাজারে খরচ হবে। একজন নারী তার সন্তানের লেখাপড়া, ভালো খাবার বা ছোট ব্যবসায় এই অর্থ বিনিয়োগ করবেন। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।”

প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, সরকার ডিজিটাল ডেটাবেজ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সরাসরি অর্থ পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করছে। এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’; প্রান্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৬:২৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে মূল্যস্ফীতির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সরকার নতুন টাকা ছাপিয়ে এই সহায়তা দিচ্ছে না, ফলে বাজারে বাড়তি মুদ্রাস্ফীতির চাপ তৈরি হবে না। বরং এই অর্থ প্রান্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু হতে যাচ্ছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ১০টি জেলায় প্রায় ২২ হাজার কৃষককে এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লক্ষ কৃষকের তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের সকল কৃষককে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

বাজেট ও কার্ডের সুবিধা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান:

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ওআইসি দেশগুলোর জোরালো সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষি কার্ড: এই কার্ডধারী কৃষকরা বছরে আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা পাবেন।
ফ্যামিলি কার্ড: এই কার্ডধারী নারীরা প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন।
তিনি বলেন, “আমরা প্রতি মাসে এই কর্মসূচির পরিধি বাড়াতে থাকব। পৃথিবীর কোনো দেশের পক্ষেই একবারে সবাইকে এই সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। সেজন্য প্রতি বছরই বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।”

মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু আমরা টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না, সেহেতু মূল্যস্ফীতি হবে না। এই টাকা যখন প্রান্তিক পর্যায়ের নারী ও কৃষকদের হাতে যাবে, তারা তা বিদেশে পাচার করবেন না। বরং সেই টাকা স্থানীয় বাজারে খরচ হবে। একজন নারী তার সন্তানের লেখাপড়া, ভালো খাবার বা ছোট ব্যবসায় এই অর্থ বিনিয়োগ করবেন। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।”

প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, সরকার ডিজিটাল ডেটাবেজ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সরাসরি অর্থ পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করছে। এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।