ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’; প্রান্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 142

ছবি: সংগৃহীত

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে মূল্যস্ফীতির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সরকার নতুন টাকা ছাপিয়ে এই সহায়তা দিচ্ছে না, ফলে বাজারে বাড়তি মুদ্রাস্ফীতির চাপ তৈরি হবে না। বরং এই অর্থ প্রান্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু হতে যাচ্ছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ১০টি জেলায় প্রায় ২২ হাজার কৃষককে এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লক্ষ কৃষকের তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের সকল কৃষককে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

বাজেট ও কার্ডের সুবিধা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান:

আরও পড়ুন  ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের দাবিতে বিক্ষোভ, রাওয়ালপিন্ডিতে ১৪৪ ধারা

কৃষি কার্ড: এই কার্ডধারী কৃষকরা বছরে আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা পাবেন।
ফ্যামিলি কার্ড: এই কার্ডধারী নারীরা প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন।
তিনি বলেন, “আমরা প্রতি মাসে এই কর্মসূচির পরিধি বাড়াতে থাকব। পৃথিবীর কোনো দেশের পক্ষেই একবারে সবাইকে এই সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। সেজন্য প্রতি বছরই বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।”

মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু আমরা টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না, সেহেতু মূল্যস্ফীতি হবে না। এই টাকা যখন প্রান্তিক পর্যায়ের নারী ও কৃষকদের হাতে যাবে, তারা তা বিদেশে পাচার করবেন না। বরং সেই টাকা স্থানীয় বাজারে খরচ হবে। একজন নারী তার সন্তানের লেখাপড়া, ভালো খাবার বা ছোট ব্যবসায় এই অর্থ বিনিয়োগ করবেন। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।”

প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, সরকার ডিজিটাল ডেটাবেজ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সরাসরি অর্থ পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করছে। এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’; প্রান্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৬:২৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে মূল্যস্ফীতির কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সরকার নতুন টাকা ছাপিয়ে এই সহায়তা দিচ্ছে না, ফলে বাজারে বাড়তি মুদ্রাস্ফীতির চাপ তৈরি হবে না। বরং এই অর্থ প্রান্তিক অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু হতে যাচ্ছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ১০টি জেলায় প্রায় ২২ হাজার কৃষককে এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দেশে প্রায় ২ কোটি ৭৫ লক্ষ কৃষকের তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের সকল কৃষককে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

বাজেট ও কার্ডের সুবিধা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান:

আরও পড়ুন  নতুন প্রজন্মই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী

কৃষি কার্ড: এই কার্ডধারী কৃষকরা বছরে আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা পাবেন।
ফ্যামিলি কার্ড: এই কার্ডধারী নারীরা প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন।
তিনি বলেন, “আমরা প্রতি মাসে এই কর্মসূচির পরিধি বাড়াতে থাকব। পৃথিবীর কোনো দেশের পক্ষেই একবারে সবাইকে এই সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। সেজন্য প্রতি বছরই বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।”

মূল্যস্ফীতি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেহেতু আমরা টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না, সেহেতু মূল্যস্ফীতি হবে না। এই টাকা যখন প্রান্তিক পর্যায়ের নারী ও কৃষকদের হাতে যাবে, তারা তা বিদেশে পাচার করবেন না। বরং সেই টাকা স্থানীয় বাজারে খরচ হবে। একজন নারী তার সন্তানের লেখাপড়া, ভালো খাবার বা ছোট ব্যবসায় এই অর্থ বিনিয়োগ করবেন। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।”

প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন যে, সরকার ডিজিটাল ডেটাবেজ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সরাসরি অর্থ পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করছে। এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন।