ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব,মে মাসের শেষার্ধে পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল আজহা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 131

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসের শেষ সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে কোরবানির ঈদ পালিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার প্রথা অনুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর ঈদ উদযাপিত হয়। সেই হিসেবে আগামী মে মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশে ঈদুল আজহা পালিত হতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ২৬ মে মঙ্গলবার পবিত্র আরাফাত দিবস পালিত হতে পারে। সেই ধারাবাহিকতায় পরদিন অর্থাৎ ২৭ মে বুধবার দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মিল রেখে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও একই দিনে ঈদ পালিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও সময়ের পার্থক্য বিবেচনা করলে, মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মে ঈদ হলে বাংলাদেশে ২৮ মে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণের বিষয়টি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল এবং জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমেই তা নিশ্চিত করা হবে।
ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক, ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর মহান ত্যাগের স্মৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত। মহান আল্লাহর নির্দেশে পুত্রকে কোরবানি করতে গিয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) যে চরম ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়েছিলেন, তার স্মরণে সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর পশু কোরবানি করা ওয়াজিব বা আবশ্যক করা হয়েছে। সেই ঐতিহাসিক সুন্নাহ অনুসরণ করেই প্রতিবছর সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ পশু জবেহ করার মাধ্যমে এই উৎসব পালন করে।

আরও পড়ুন  শুক্রবার (৬ জুন) ঈদুল আজহার সম্ভাবনা, বলছে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র

মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মুসলিম বিশ্বে এক ধরনের ধর্মীয় আবহ তৈরি হতে শুরু করেছে। হজের আনুষ্ঠানিকতা এবং কোরবানির পশুর হাটের প্রস্তুতিও এই সময়কে ঘিরেই আবর্তিত হয়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এই দিনটি আত্মত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: গালফ নিউজ

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব,মে মাসের শেষার্ধে পালিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল আজহা

আপডেট সময় ১১:৫১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

আগামী ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসের শেষ সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে কোরবানির ঈদ পালিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার প্রথা অনুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর ঈদ উদযাপিত হয়। সেই হিসেবে আগামী মে মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশে ঈদুল আজহা পালিত হতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ২৬ মে মঙ্গলবার পবিত্র আরাফাত দিবস পালিত হতে পারে। সেই ধারাবাহিকতায় পরদিন অর্থাৎ ২৭ মে বুধবার দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মিল রেখে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও একই দিনে ঈদ পালিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ও সময়ের পার্থক্য বিবেচনা করলে, মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মে ঈদ হলে বাংলাদেশে ২৮ মে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণের বিষয়টি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল এবং জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমেই তা নিশ্চিত করা হবে।
ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক, ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর মহান ত্যাগের স্মৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত। মহান আল্লাহর নির্দেশে পুত্রকে কোরবানি করতে গিয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) যে চরম ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়েছিলেন, তার স্মরণে সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর পশু কোরবানি করা ওয়াজিব বা আবশ্যক করা হয়েছে। সেই ঐতিহাসিক সুন্নাহ অনুসরণ করেই প্রতিবছর সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ পশু জবেহ করার মাধ্যমে এই উৎসব পালন করে।

আরও পড়ুন  বায়তুল মোকাররমে ঈদুল আজহার পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে

মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই মুসলিম বিশ্বে এক ধরনের ধর্মীয় আবহ তৈরি হতে শুরু করেছে। হজের আনুষ্ঠানিকতা এবং কোরবানির পশুর হাটের প্রস্তুতিও এই সময়কে ঘিরেই আবর্তিত হয়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এই দিনটি আত্মত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্য প্রকাশের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: গালফ নিউজ