ঢাকা ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 177

ছবি সংগৃহীত

সরকার গঠনের তিন সপ্তাহের মাথায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে বনানী, ঢাকা-র টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডের ৩৭ হাজারের বেশি নারীপ্রধান পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

একদিন আগে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ১৩ জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই, একাধিক ভাতা গ্রহণকারীদের বাদ দেওয়া এবং সরকারি চাকরিজীবীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রতিটি নির্বাচিত পরিবারকে একটি করে আধুনিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হবে। স্পর্শবিহীন চিপ ও কিউআর কোড সম্বলিত এই কার্ড নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে জানানো হয়েছে। একটি পরিবারের পাঁচজন সদস্যের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে। সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়া হবে।

ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে জি-টু-পি (সরকার থেকে ব্যক্তি) পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। অর্থাৎ উপকারভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানো হবে।

তবে কোনো নারী গৃহপ্রধান যদি ইতোমধ্যে অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা পেনশন পান, তাহলে সেই সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে। এছাড়া পরিবারের কেউ সরকারি চাকরিজীবী হলে, বড় ব্যবসা, গাড়ি, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র থাকলে ওই পরিবার এই ভাতার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

এই পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি ভাতা হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি অর্থ তথ্য সংগ্রহ, সফটওয়্যার ও কার্ড তৈরির কাজে ব্যয় হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আনুষ্ঠানিক ভাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:৫৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

সরকার গঠনের তিন সপ্তাহের মাথায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে বনানী, ঢাকা-র টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডের ৩৭ হাজারের বেশি নারীপ্রধান পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানকে অভিনন্দন জা‌নালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

একদিন আগে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ১৩ জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই, একাধিক ভাতা গ্রহণকারীদের বাদ দেওয়া এবং সরকারি চাকরিজীবীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রতিটি নির্বাচিত পরিবারকে একটি করে আধুনিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়া হবে। স্পর্শবিহীন চিপ ও কিউআর কোড সম্বলিত এই কার্ড নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে জানানো হয়েছে। একটি পরিবারের পাঁচজন সদস্যের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে। সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়া হবে।

ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে জি-টু-পি (সরকার থেকে ব্যক্তি) পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। অর্থাৎ উপকারভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানো হবে।

তবে কোনো নারী গৃহপ্রধান যদি ইতোমধ্যে অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা পেনশন পান, তাহলে সেই সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে। এছাড়া পরিবারের কেউ সরকারি চাকরিজীবী হলে, বড় ব্যবসা, গাড়ি, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র থাকলে ওই পরিবার এই ভাতার জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

এই পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত প্রায় ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি ভাতা হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি অর্থ তথ্য সংগ্রহ, সফটওয়্যার ও কার্ড তৈরির কাজে ব্যয় হবে।