ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

সরকারি কর্মচারীদের সকালে ৪০ মিনিট ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • / 162

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি অফিসের প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সকল সরকারি কর্মচারীকে বাধ্যতামূলকভাবে নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে।

গত ২ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। ২০১৯ এবং ২০২১ সালের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় এই নতুন আদেশ দেওয়া হলো।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী সকালে অফিসে আসার পথে বিভিন্ন ব্যক্তিগত বা দাপ্তরিক কর্মসূচিতে (যেমন: সেমিনার, ব্যাংক বা স্কুলে যাওয়া) অংশ নেওয়ার কারণে ঠিক সময়ে ডেস্কে থাকেন না। এর ফলে সাধারণ মানুষ ও অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যাহত হয়, যা সরকারের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই সমস্যা দূর করতেই সকালের এই সময়টুকু ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  রমনা থানায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন: ১০ মিনিটে দিলেন কঠোর নির্দেশনা

নির্দেশনার মূল পয়েন্টগুলো:
সময়সীমা: সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত আবশ্যিকভাবে নিজ কক্ষে থাকতে হবে।
দাপ্তরিক কর্মসূচি: এই সময়ের মধ্যে কোনো সভা বা সেমিনার রাখা যাবে না যাতে উপস্থিতি বিঘ্নিত হয়।
অনুমতি: কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া অফিস চলাকালীন কর্মস্থল বা দপ্তর ত্যাগ করা যাবে না।
যাদের জন্য এই নিয়ম শিথিল:
জরুরি ও বিশেষায়িত কিছু খাতের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হবে না। যেমন:
হাসপাতাল, জেলখানা ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রোস্টার ডিউটি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জরুরি গ্রাহকসেবায় নিয়োজিত কর্মী।
ভিভিআইপি প্রটোকল বা আকস্মিক বড় দুর্ঘটনা মোকাবিলায় নিয়োজিত কর্মকর্তা।
অনুমোদিত সরকারি সফর বা কূটনৈতিক মিশনের অতি গুরুত্বপূর্ণ সভা।
‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী এই নিয়ম মানা সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি কর্মচারীদের সকালে ৪০ মিনিট ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক

আপডেট সময় ০৪:০৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

সরকারি অফিসের প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সকল সরকারি কর্মচারীকে বাধ্যতামূলকভাবে নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে।

গত ২ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। ২০১৯ এবং ২০২১ সালের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় এই নতুন আদেশ দেওয়া হলো।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী সকালে অফিসে আসার পথে বিভিন্ন ব্যক্তিগত বা দাপ্তরিক কর্মসূচিতে (যেমন: সেমিনার, ব্যাংক বা স্কুলে যাওয়া) অংশ নেওয়ার কারণে ঠিক সময়ে ডেস্কে থাকেন না। এর ফলে সাধারণ মানুষ ও অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যাহত হয়, যা সরকারের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই সমস্যা দূর করতেই সকালের এই সময়টুকু ডেস্কে থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  শৃঙ্খলা জোরদারে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা: সব জেলায় চিঠি

নির্দেশনার মূল পয়েন্টগুলো:
সময়সীমা: সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত আবশ্যিকভাবে নিজ কক্ষে থাকতে হবে।
দাপ্তরিক কর্মসূচি: এই সময়ের মধ্যে কোনো সভা বা সেমিনার রাখা যাবে না যাতে উপস্থিতি বিঘ্নিত হয়।
অনুমতি: কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া অফিস চলাকালীন কর্মস্থল বা দপ্তর ত্যাগ করা যাবে না।
যাদের জন্য এই নিয়ম শিথিল:
জরুরি ও বিশেষায়িত কিছু খাতের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা প্রযোজ্য হবে না। যেমন:
হাসপাতাল, জেলখানা ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রোস্টার ডিউটি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জরুরি গ্রাহকসেবায় নিয়োজিত কর্মী।
ভিভিআইপি প্রটোকল বা আকস্মিক বড় দুর্ঘটনা মোকাবিলায় নিয়োজিত কর্মকর্তা।
অনুমোদিত সরকারি সফর বা কূটনৈতিক মিশনের অতি গুরুত্বপূর্ণ সভা।
‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী এই নিয়ম মানা সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।