ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :

শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রম ও অবদানে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • / 585

ছবি সংগৃহীত

 

শ্রমিকরাই দেশের উন্নয়নের মূল শক্তি উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, “শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রম ও অবদানের কারণেই আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আপনারাই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস এবং দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখছেন।”

শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে সাভারের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বালুর মাঠে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা-২০২৫’-এর শ্রমিক সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  টানা চার মাস স্থবির টেকনাফ স্থলবন্দর, লোকসানে শতাধিক ব্যবসায়ী ও শ্রমিক

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। শ্রম আইনে শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষিত রয়েছে এবং সরকার এসব অধিকার বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

শহীদ পরিবার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার পরিবর্তনের ফলে শহীদ পরিবারগুলো আশার আলো দেখতে পেলেও তাদের দীর্ঘদিনের যন্ত্রণা এখনও পুরোপুরি মুছে যায়নি। এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।”

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, “শ্রমিকদের অধিকারের প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না। শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্কই দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে পারে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ এবং ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মালিকপক্ষের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আয়োজকেরা জানান, এই অনুষ্ঠানমালার মূল লক্ষ্য হচ্ছে শ্রমিকদের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের পথে সমাজকে আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রম ও অবদানে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৮:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

 

শ্রমিকরাই দেশের উন্নয়নের মূল শক্তি উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, “শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রম ও অবদানের কারণেই আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আপনারাই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস এবং দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখছেন।”

শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে সাভারের গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বালুর মাঠে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা-২০২৫’-এর শ্রমিক সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ক্রোয়েশিয়া সমুদ্র, ইতিহাস আর ইউরোপীয় সৌন্দর্যের দেশ

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। শ্রম আইনে শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষিত রয়েছে এবং সরকার এসব অধিকার বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

শহীদ পরিবার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকার পরিবর্তনের ফলে শহীদ পরিবারগুলো আশার আলো দেখতে পেলেও তাদের দীর্ঘদিনের যন্ত্রণা এখনও পুরোপুরি মুছে যায়নি। এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।”

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, “শ্রমিকদের অধিকারের প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না। শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্কই দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে পারে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ এবং ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, মালিকপক্ষের প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আয়োজকেরা জানান, এই অনুষ্ঠানমালার মূল লক্ষ্য হচ্ছে শ্রমিকদের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়নের পথে সমাজকে আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করা।