ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
রামপুরা একরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষককে অপসারণের দাবিতে ক্লাস বর্জন চলতি মাসেই চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’: প্রতিমন্ত্রী স্ক্যাম মেসেজ খোলার আগেই সতর্ক করবে হোয়াটসঅ্যাপ নিবন্ধনহীন কিন্ডারগার্টেন বন্ধের উদ্যোগ: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে হোটেলে অ/গ্নি/কা/ণ্ড, বাংলাদেশিদের জন্য হেল্পলাইন চালু চার দেশে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল দূতাবাস অক্টোবরে পাঁচ বিভাগীয় ও জেলা শহরে শিশু হাসপাতাল চালুর ঘোষণা ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট শপথ নতুন রাষ্ট্রপতির একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন পশ্চিমবঙ্গের হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন বাংলাদেশিরা

মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে: ডিএমপি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 636

ছবি সংগৃহীত

 

পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক নয়, এটি ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের ফল বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সোহাগ বিগত সরকারের সময়ে সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ভাগ্নে পিল্লু কমিশনারের ছত্রছায়ায় বিদ্যুতের চোরাই তারের ব্যবসা চালাতেন। ৫ আগস্টের পর সেই ব্যবসায় শেয়ার নিতে চেয়েছিল তারই পরিচিত কয়েকজন। এ নিয়েই তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়, যা থেকে সংঘবদ্ধ মব গঠন করে তাকে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন  ডিএমপি আবারো রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পটুয়াখালী থেকে রেজওয়ান নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, এজাহার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, নিহত সোহাগের সাবেক স্ত্রী লাকী আক্তার থানায় এসে মামলা করতে আগ্রহ দেখান। কিছুক্ষণ পর তার সৎ ভাই রনিও থানায় আসেন। তারা দুজন মিলে ২৩ জনকে আসামি করে একটি খসড়া এজাহার তৈরি করেন। পরে নিহতের আপন বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম থানায় এসে পাঁচজনের নাম বাদ দিয়ে নতুন একজনকে যুক্ত করে মোট ১৯ জনকে আসামি করে এজাহার দাখিল করেন। সেই এজাহারের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানায় মামলা রুজু করা হয়, যার নম্বর-৭।

তিনি বলেন, কোনো ঘটনা সম্পর্কে এজাহার একটি প্রাথমিক তথ্য বিবরণী মাত্র। তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।

ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, ৯ জুলাই সন্ধ্যায় ঘটনার সময় ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে চকবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সরোয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। সেখানে তিনি দেখেন, অভিযুক্তরা ‘চাঁদাবাজদের জায়গা নাই, ব্যবসায়ীদের ভয় নাই’ এমন স্লোগানে মব গঠন করছে। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি মাহমুদুল হাসান মহিন ও রবিন নামে দুজনকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৯ জুলাই মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে প্রকাশ্যে কংক্রিট বোল্ডার দিয়ে শরীর ও মাথা থেঁতলে সোহাগকে হত্যা করা হয়। পরদিন তার বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা রাজনৈতিক নয়, ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে: ডিএমপি

আপডেট সময় ০৪:৪২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক নয়, এটি ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের ফল বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সোহাগ বিগত সরকারের সময়ে সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ভাগ্নে পিল্লু কমিশনারের ছত্রছায়ায় বিদ্যুতের চোরাই তারের ব্যবসা চালাতেন। ৫ আগস্টের পর সেই ব্যবসায় শেয়ার নিতে চেয়েছিল তারই পরিচিত কয়েকজন। এ নিয়েই তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়, যা থেকে সংঘবদ্ধ মব গঠন করে তাকে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন  ট্রাফিকে এআই ক্যামেরার সঙ্গে ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ প্রযুক্তি আনছে ডিএমপি

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় পটুয়াখালী থেকে রেজওয়ান নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, এজাহার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, নিহত সোহাগের সাবেক স্ত্রী লাকী আক্তার থানায় এসে মামলা করতে আগ্রহ দেখান। কিছুক্ষণ পর তার সৎ ভাই রনিও থানায় আসেন। তারা দুজন মিলে ২৩ জনকে আসামি করে একটি খসড়া এজাহার তৈরি করেন। পরে নিহতের আপন বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম থানায় এসে পাঁচজনের নাম বাদ দিয়ে নতুন একজনকে যুক্ত করে মোট ১৯ জনকে আসামি করে এজাহার দাখিল করেন। সেই এজাহারের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানায় মামলা রুজু করা হয়, যার নম্বর-৭।

তিনি বলেন, কোনো ঘটনা সম্পর্কে এজাহার একটি প্রাথমিক তথ্য বিবরণী মাত্র। তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে।

ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, ৯ জুলাই সন্ধ্যায় ঘটনার সময় ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে চকবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সরোয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। সেখানে তিনি দেখেন, অভিযুক্তরা ‘চাঁদাবাজদের জায়গা নাই, ব্যবসায়ীদের ভয় নাই’ এমন স্লোগানে মব গঠন করছে। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি মাহমুদুল হাসান মহিন ও রবিন নামে দুজনকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করেন।

প্রসঙ্গত, গত ৯ জুলাই মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের সামনে প্রকাশ্যে কংক্রিট বোল্ডার দিয়ে শরীর ও মাথা থেঁতলে সোহাগকে হত্যা করা হয়। পরদিন তার বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।