ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

পুলিশ পরিচয়ে নারায়ণগঞ্জে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট অর্ধকোটি টাকার মালামাল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • / 645

ছবি সংগৃহীত

 

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পুলিশের পোশাক পরে সংঘবদ্ধ একটি ডাকাত দল ভয়াবহ ডাকাতি চালিয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার পাঁচরুখী গ্রামে ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম মোল্লার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম জানান, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি মুখোশধারী দল নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে তার বাড়ির নিচতলার জানালার গ্রীল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপরই তারা বাসার সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে।

আরও পড়ুন  নারায়ণগঞ্জে নকশা না মেনে ভবন নির্মাণ, ১ লাখ টাকা জরিমানা

তিনি জানান, ডাকাতরা প্রথমেই তার স্ত্রী সুবিয়া বেগম, ছেলে মিনহাজুলসহ পরিবারের সদস্যদের গেঞ্জি ও গামছা দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর বাসার আলমারি ভেঙে প্রায় ৩২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার সম্পদ খোয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

ডাকাতরা ছুরি, চাপাতি, সাবলসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখায় এবং পুরো পরিবারের সদস্যদের এক ঘরে আটকে রাখে। ঘটনার সময় তারা পুলিশের কায়দায় কথা বলছিল এবং নিজেদের অভিযান চালাতে এসেছে বলে পরিচয় দেয়। এতে পরিবারের কেউ প্রতিরোধের সাহসও পায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, “আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ডাকাতদের শনাক্ত ও মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান, এত বড় ডাকাতির ঘটনা এর আগে এলাকায় কখনো ঘটেনি। পুলিশ পরিচয়ে এ ধরনের অপকর্মে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ডাকাতির ঘটনায় এখনো কেউ আটক হয়নি। পুলিশ বলছে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণসহ আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তদন্তের কাজ এগিয়ে চলছে।

এই ঘটনায় এলাকায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং সকলের প্রত্যাশা দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীরা শনাক্ত হয়ে আইনের আওতায় আসবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

পুলিশ পরিচয়ে নারায়ণগঞ্জে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, লুট অর্ধকোটি টাকার মালামাল

আপডেট সময় ০৪:৪৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

 

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পুলিশের পোশাক পরে সংঘবদ্ধ একটি ডাকাত দল ভয়াবহ ডাকাতি চালিয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার পাঁচরুখী গ্রামে ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম মোল্লার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সিরাজুল ইসলাম জানান, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি মুখোশধারী দল নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে তার বাড়ির নিচতলার জানালার গ্রীল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপরই তারা বাসার সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে।

আরও পড়ুন  চাঁদপুরে ডাকাতির ছক ভেস্তে দিল গোয়েন্দা পুলিশ, আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৫

তিনি জানান, ডাকাতরা প্রথমেই তার স্ত্রী সুবিয়া বেগম, ছেলে মিনহাজুলসহ পরিবারের সদস্যদের গেঞ্জি ও গামছা দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর বাসার আলমারি ভেঙে প্রায় ৩২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার সম্পদ খোয়া গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

ডাকাতরা ছুরি, চাপাতি, সাবলসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ভয়ভীতি দেখায় এবং পুরো পরিবারের সদস্যদের এক ঘরে আটকে রাখে। ঘটনার সময় তারা পুলিশের কায়দায় কথা বলছিল এবং নিজেদের অভিযান চালাতে এসেছে বলে পরিচয় দেয়। এতে পরিবারের কেউ প্রতিরোধের সাহসও পায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে আড়াইহাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, “আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ডাকাতদের শনাক্ত ও মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।”

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান, এত বড় ডাকাতির ঘটনা এর আগে এলাকায় কখনো ঘটেনি। পুলিশ পরিচয়ে এ ধরনের অপকর্মে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ডাকাতির ঘটনায় এখনো কেউ আটক হয়নি। পুলিশ বলছে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণসহ আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তদন্তের কাজ এগিয়ে চলছে।

এই ঘটনায় এলাকায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং সকলের প্রত্যাশা দ্রুত সময়ের মধ্যে অপরাধীরা শনাক্ত হয়ে আইনের আওতায় আসবে।