ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

দেশের ৩৭ জেলার ৬৮ সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / 564

ছবি: সংগৃহীত

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ দেশের ৩৭টি জেলার ৬৮টি সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ বুধবার (২৮ মে) এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যেখানে অধিকাংশ কলেজের নাম ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে রাখা ছিল।

প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. মাহবুব আলম। এতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর নতুন নামকরণ করা হয়েছে স্থানীয় এলাকার নাম অনুসারে। অর্থাৎ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নামের পরিবর্তে এখন এসব কলেজ স্থানীয় ভৌগোলিক বা সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে পরিচিত হবে।

আরও পড়ুন  ক্রোয়েশিয়া সমুদ্র, ইতিহাস আর ইউরোপীয় সৌন্দর্যের দেশ

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ অধিশাখার নির্দেশনা অনুসারে এ নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রজ্ঞাপনটি বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে শিক্ষা মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণে রাজনৈতিক প্রভাব কমিয়ে আনার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর নতুন নাম প্রকাশ করা না হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তা শিগগিরই হালনাগাদ করা হবে বলে জানা গেছে।

সরকারি কলেজগুলোর নাম পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি নিরপেক্ষ, সাংস্কৃতিক ও গণমানুষের প্রতিনিধিত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন বলেই বিবেচিত হচ্ছে।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের ৩৭ জেলার ৬৮ সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন

আপডেট সময় ১২:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ দেশের ৩৭টি জেলার ৬৮টি সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ বুধবার (২৮ মে) এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যেখানে অধিকাংশ কলেজের নাম ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে রাখা ছিল।

প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. মাহবুব আলম। এতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর নতুন নামকরণ করা হয়েছে স্থানীয় এলাকার নাম অনুসারে। অর্থাৎ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নামের পরিবর্তে এখন এসব কলেজ স্থানীয় ভৌগোলিক বা সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে পরিচিত হবে।

আরও পড়ুন  সরকারি সফরে রাশিয়া গেলেন সেনাবাহিনী প্রধান, পরবর্তী গন্তব্য ক্রোয়েশিয়া

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ অধিশাখার নির্দেশনা অনুসারে এ নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রজ্ঞাপনটি বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে শিক্ষা মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণে রাজনৈতিক প্রভাব কমিয়ে আনার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর নতুন নাম প্রকাশ করা না হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তা শিগগিরই হালনাগাদ করা হবে বলে জানা গেছে।

সরকারি কলেজগুলোর নাম পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি নিরপেক্ষ, সাংস্কৃতিক ও গণমানুষের প্রতিনিধিত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন বলেই বিবেচিত হচ্ছে।