ঢাকা ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

দেশের ৩৭ জেলার ৬৮ সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫
  • / 733

ছবি: সংগৃহীত

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ দেশের ৩৭টি জেলার ৬৮টি সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ বুধবার (২৮ মে) এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যেখানে অধিকাংশ কলেজের নাম ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে রাখা ছিল।

প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. মাহবুব আলম। এতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর নতুন নামকরণ করা হয়েছে স্থানীয় এলাকার নাম অনুসারে। অর্থাৎ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নামের পরিবর্তে এখন এসব কলেজ স্থানীয় ভৌগোলিক বা সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে পরিচিত হবে।

আরও পড়ুন  মে মাসে টানা ৩ দিন করে দুইবার ছুটি মিলছে সরকারি চাকরিজীবীদের

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ অধিশাখার নির্দেশনা অনুসারে এ নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রজ্ঞাপনটি বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে শিক্ষা মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণে রাজনৈতিক প্রভাব কমিয়ে আনার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর নতুন নাম প্রকাশ করা না হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তা শিগগিরই হালনাগাদ করা হবে বলে জানা গেছে।

সরকারি কলেজগুলোর নাম পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি নিরপেক্ষ, সাংস্কৃতিক ও গণমানুষের প্রতিনিধিত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন বলেই বিবেচিত হচ্ছে।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশের ৩৭ জেলার ৬৮ সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তন

আপডেট সময় ১২:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ দেশের ৩৭টি জেলার ৬৮টি সরকারি কলেজের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ বুধবার (২৮ মে) এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যেখানে অধিকাংশ কলেজের নাম ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে রাখা ছিল।

প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. মাহবুব আলম। এতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর নতুন নামকরণ করা হয়েছে স্থানীয় এলাকার নাম অনুসারে। অর্থাৎ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নামের পরিবর্তে এখন এসব কলেজ স্থানীয় ভৌগোলিক বা সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে পরিচিত হবে।

আরও পড়ুন  দুই দেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ অধিশাখার নির্দেশনা অনুসারে এ নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রজ্ঞাপনটি বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর অধ্যক্ষদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে শিক্ষা মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও অনেকেই মনে করছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামকরণে রাজনৈতিক প্রভাব কমিয়ে আনার এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর নতুন নাম প্রকাশ করা না হলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তা শিগগিরই হালনাগাদ করা হবে বলে জানা গেছে।

সরকারি কলেজগুলোর নাম পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি নিরপেক্ষ, সাংস্কৃতিক ও গণমানুষের প্রতিনিধিত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন বলেই বিবেচিত হচ্ছে।