ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

দেশ থেকে অশুভ বিদায় নিয়েছে, বাকিটাও শিগগিরই যাবে: প্রেস সচিব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / 498

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর রমনার বটমূলে আজ সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ছায়ানট আয়োজিত বাংলা নববর্ষ ১৪৩২-এর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। নানা বর্ণের পোশাক ও সাংস্কৃতিক আবহে উদযাপিত এ উৎসব যেন পরিণত হয়েছে বাঙালির প্রাণের মিলনমেলায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম অংশ নিয়ে বলেন, “বাংলাদেশ এখন বদলে গেছে। অশুভ অনেকটাই পেছনে ফেলে এসেছে দেশ। যে অল্প কিছু নেতিবাচকতা রয়ে গেছে, তা-ও শীঘ্রই বিদায় নেবে।”

আরও পড়ুন  জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ জানালেন প্রেস সচিব: ‘নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে বা সর্বোচ্চ মার্চে’  

তিনি আরও বলেন, “নতুন বাংলাদেশ শুধু একটি ধারণা নয়, এটি এখন বাস্তব। উন্নয়নের ধারায় দেশ এগিয়ে চলেছে আত্মবিশ্বাসের সাথে। আমরা চাই, এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। দেশ থেকে জরা, ক্লান্তি আর নেতিবাচকতা চিরতরে দূর হোক।”

নববর্ষের উৎসব সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই উৎসব আর কেবল সংস্কৃতির অনুষঙ্গ নয়, এটি আজ জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। সকল মত ও পথের মানুষ এই দিনে একত্রিত হয়, হাসে, গায়, আবেগে জড়ায়। এটি আমাদের জাতিগত সংহতির বার্তা দেয়।”

তিনি নববর্ষের প্রভাতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “আমরা একটি সুখী, শান্তিপূর্ণ ও অগ্রসর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। সে লক্ষ্যেই প্রতিনিয়ত কাজ চলছে। উন্নয়নের এই যাত্রায় সকলের অংশগ্রহণ জরুরি।”

অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীরা জানান, রমনার বটমূলে বর্ষবরণের আয়োজনে অংশ নেওয়া মানেই হচ্ছে আত্মিক প্রশান্তি খোঁজা ও ঐতিহ্যের সাথে সংযুক্ত হওয়া। সকাল থেকে ছায়ানটের শিল্পীদের পরিবেশনায় মুখরিত হয় পুরো পরিবেশ।

ছায়ানটের আয়োজকরা জানান, বরাবরের মতো এবারও নববর্ষকে কেন্দ্র করে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধকে প্রধান উপজীব্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

রমনার ছায়ানটের মঞ্চ যেন প্রতিটি বছরই বাঙালির আত্মপরিচয়ের একটি গর্বিত প্রকাশ হয়ে ওঠে। এবারের আয়োজনেও তাই ছিল আশাবাদী বার্তা নতুন বছরে অশুভের অবসান ঘটবে, বাংলাদেশ আরও আলোকিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশ থেকে অশুভ বিদায় নিয়েছে, বাকিটাও শিগগিরই যাবে: প্রেস সচিব

আপডেট সময় ০৩:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

 

রাজধানীর রমনার বটমূলে আজ সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ছায়ানট আয়োজিত বাংলা নববর্ষ ১৪৩২-এর বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। নানা বর্ণের পোশাক ও সাংস্কৃতিক আবহে উদযাপিত এ উৎসব যেন পরিণত হয়েছে বাঙালির প্রাণের মিলনমেলায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম অংশ নিয়ে বলেন, “বাংলাদেশ এখন বদলে গেছে। অশুভ অনেকটাই পেছনে ফেলে এসেছে দেশ। যে অল্প কিছু নেতিবাচকতা রয়ে গেছে, তা-ও শীঘ্রই বিদায় নেবে।”

আরও পড়ুন  পাচার হওয়া টাকা ফেরাতে নতুন আইন আসছে শিগগিরই: প্রেস সচিব

তিনি আরও বলেন, “নতুন বাংলাদেশ শুধু একটি ধারণা নয়, এটি এখন বাস্তব। উন্নয়নের ধারায় দেশ এগিয়ে চলেছে আত্মবিশ্বাসের সাথে। আমরা চাই, এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। দেশ থেকে জরা, ক্লান্তি আর নেতিবাচকতা চিরতরে দূর হোক।”

নববর্ষের উৎসব সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই উৎসব আর কেবল সংস্কৃতির অনুষঙ্গ নয়, এটি আজ জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। সকল মত ও পথের মানুষ এই দিনে একত্রিত হয়, হাসে, গায়, আবেগে জড়ায়। এটি আমাদের জাতিগত সংহতির বার্তা দেয়।”

তিনি নববর্ষের প্রভাতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “আমরা একটি সুখী, শান্তিপূর্ণ ও অগ্রসর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। সে লক্ষ্যেই প্রতিনিয়ত কাজ চলছে। উন্নয়নের এই যাত্রায় সকলের অংশগ্রহণ জরুরি।”

অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীরা জানান, রমনার বটমূলে বর্ষবরণের আয়োজনে অংশ নেওয়া মানেই হচ্ছে আত্মিক প্রশান্তি খোঁজা ও ঐতিহ্যের সাথে সংযুক্ত হওয়া। সকাল থেকে ছায়ানটের শিল্পীদের পরিবেশনায় মুখরিত হয় পুরো পরিবেশ।

ছায়ানটের আয়োজকরা জানান, বরাবরের মতো এবারও নববর্ষকে কেন্দ্র করে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধকে প্রধান উপজীব্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

রমনার ছায়ানটের মঞ্চ যেন প্রতিটি বছরই বাঙালির আত্মপরিচয়ের একটি গর্বিত প্রকাশ হয়ে ওঠে। এবারের আয়োজনেও তাই ছিল আশাবাদী বার্তা নতুন বছরে অশুভের অবসান ঘটবে, বাংলাদেশ আরও আলোকিত হবে।