ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • / 582

ছবি সংগৃহীত

 

আজ ১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহীর মাদরাসা ময়দান থেকে শুরু হয় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এক ঐতিহাসিক লংমার্চ।

এই লংমার্চের মূল লক্ষ্য ছিল ভারত কর্তৃক গঙ্গা নদীর পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহারের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। মরণবাঁধ নামে পরিচিত ফারাক্কা ব্যারাজের বিরুদ্ধে এই জনজোয়ার পরিণত হয় এক শক্তিশালী গণআন্দোলনে।

আরও পড়ুন  শুল্ক কমাতে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের ঐতিহাসিক চুক্তি, বিশ্ববাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া

লংমার্চ চলাকালীন রাজশাহী থেকে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে অগ্রসরমান মিছিল ভারতের বিরুদ্ধে নানা স্লোগানে মুখর ছিল। মজলুম জননেতা তার জ্বালাময়ী ভাষণে বলেন:

“তাদের জানা উচিত বাংলার মানুষ এক আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে ভয় পায় না। কারো হুমকিকে পরোয়া করে না। আজ যে ইতিহাস শুরু হয়েছে তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করবে।”

ফারাক্কা লংমার্চ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। এই দিনটি প্রতিবছর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জনগণের ঐক্য ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস

আপডেট সময় ১২:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

 

আজ ১৬ মে, ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে রাজশাহীর মাদরাসা ময়দান থেকে শুরু হয় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এক ঐতিহাসিক লংমার্চ।

এই লংমার্চের মূল লক্ষ্য ছিল ভারত কর্তৃক গঙ্গা নদীর পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহারের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ এবং দেশের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। মরণবাঁধ নামে পরিচিত ফারাক্কা ব্যারাজের বিরুদ্ধে এই জনজোয়ার পরিণত হয় এক শক্তিশালী গণআন্দোলনে।

আরও পড়ুন  মদিনার ঐতিহাসিক ‘মসজিদে বনু আনিফ’: পাথরে গাঁথা প্রাচীন ঐতিহ্যের নিদর্শন

লংমার্চ চলাকালীন রাজশাহী থেকে ফারাক্কার উদ্দেশ্যে অগ্রসরমান মিছিল ভারতের বিরুদ্ধে নানা স্লোগানে মুখর ছিল। মজলুম জননেতা তার জ্বালাময়ী ভাষণে বলেন:

“তাদের জানা উচিত বাংলার মানুষ এক আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে ভয় পায় না। কারো হুমকিকে পরোয়া করে না। আজ যে ইতিহাস শুরু হয়েছে তা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর নতুন অধ্যায়ের সৃষ্টি করবে।”

ফারাক্কা লংমার্চ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। এই দিনটি প্রতিবছর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জনগণের ঐক্য ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করা হয়।