ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ: অধ্যাপক আলী রীয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 396

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ফ্যাসিবাদী শাসক পালাতে বাধ্য হয়েছে। তিনি বলেন, ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করে আমাদের সামনে এগোতে হবে। এটি শুধুমাত্র আমাদের অঙ্গীকার নয়, এটি আমাদের দায়ও।

আজ রবিবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের এলডি হলে গণসংহতি আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত বৈঠকের শুরুতে এসব কথা বলেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

আরও পড়ুন  'আপনারা অনেকে আজ ফ্যাসিবাদকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন': হুঁশিয়ারি শিবির সভাপতির

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে যে পুঞ্জীভূত সংকট চলছে, তা মোকাবিলা করতে হলে শুধু সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়ন যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কাঠামো গড়ে তোলা, গণতন্ত্রের চর্চা এবং গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর ঐক্য ধরে রাখা।

আলী রীয়াজ বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ফ্যাসিবাদী শাসককে পালাতে বাধ্য করা সম্ভব হয়েছে। এই ঐক্য বজায় রেখে, ঐক্যের চেতনাকে সামনে রেখে আমাদের অগ্রসর হতে হবে। এটি আমাদের কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে প্রাণ দিয়েছেন, যাঁরা লড়াই করেছেন, আহত-নিহত হয়েছেন, এমনকি গত ১৬ বছর ধরে জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে যারা লড়াই চালিয়ে গেছেন এবং বিগত ৫৩ বছর ধরে যারা একটি গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা করে গেছেন, তাঁদের সকলের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে।

সংস্কারের বিষয়ে সংলাপের অগ্রগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা অল্প হলেও কিছু অগ্রগতি অর্জন করেছি। এই অগ্রগতি ধরে রাখতে না পারলে এবং বিকশিত করতে না পারলে আমাদের সামনে থেকে সমস্ত সুযোগ হারিয়ে যাবে।

এই সুযোগ যেন হারিয়ে না যায়, সেজন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আমরা একত্রিতভাবে এই অর্জনের জন্য কাজ করছি। এই অর্জন শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য, এবং একটি নতুন গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশের জন্য। অধ্যাপক আলী রীয়াজ মনে করেন, সকলের ঐকমত্যের মাধ্যমে দ্রুত একটি জাতীয় সনদ প্রণয়ন করা সম্ভব।

বৈঠকে তিনি আরও বলেন, গণসংহতি আন্দোলন প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকেই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের সংগ্রামে যুক্ত ছিল এবং নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে।

কমিশনের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, ড. বদিউল আলম মজুমদার এবং ড. ইফতেখারুজ্জামান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ: অধ্যাপক আলী রীয়াজ

আপডেট সময় ০২:১৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ফ্যাসিবাদী শাসক পালাতে বাধ্য হয়েছে। তিনি বলেন, ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করে আমাদের সামনে এগোতে হবে। এটি শুধুমাত্র আমাদের অঙ্গীকার নয়, এটি আমাদের দায়ও।

আজ রবিবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের এলডি হলে গণসংহতি আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত বৈঠকের শুরুতে এসব কথা বলেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

আরও পড়ুন  ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সনদই হবে আমাদের মুক্তির পথ’- প্রধান উপদেষ্টা 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে যে পুঞ্জীভূত সংকট চলছে, তা মোকাবিলা করতে হলে শুধু সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়ন যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের কাঠামো গড়ে তোলা, গণতন্ত্রের চর্চা এবং গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর ঐক্য ধরে রাখা।

আলী রীয়াজ বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ফ্যাসিবাদী শাসককে পালাতে বাধ্য করা সম্ভব হয়েছে। এই ঐক্য বজায় রেখে, ঐক্যের চেতনাকে সামনে রেখে আমাদের অগ্রসর হতে হবে। এটি আমাদের কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, এটি আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে প্রাণ দিয়েছেন, যাঁরা লড়াই করেছেন, আহত-নিহত হয়েছেন, এমনকি গত ১৬ বছর ধরে জুলুম-নিপীড়নের বিরুদ্ধে যারা লড়াই চালিয়ে গেছেন এবং বিগত ৫৩ বছর ধরে যারা একটি গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা করে গেছেন, তাঁদের সকলের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে।

সংস্কারের বিষয়ে সংলাপের অগ্রগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা অল্প হলেও কিছু অগ্রগতি অর্জন করেছি। এই অগ্রগতি ধরে রাখতে না পারলে এবং বিকশিত করতে না পারলে আমাদের সামনে থেকে সমস্ত সুযোগ হারিয়ে যাবে।

এই সুযোগ যেন হারিয়ে না যায়, সেজন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আমরা একত্রিতভাবে এই অর্জনের জন্য কাজ করছি। এই অর্জন শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য, এবং একটি নতুন গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশের জন্য। অধ্যাপক আলী রীয়াজ মনে করেন, সকলের ঐকমত্যের মাধ্যমে দ্রুত একটি জাতীয় সনদ প্রণয়ন করা সম্ভব।

বৈঠকে তিনি আরও বলেন, গণসংহতি আন্দোলন প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকেই বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের সংগ্রামে যুক্ত ছিল এবং নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে।

কমিশনের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, ড. বদিউল আলম মজুমদার এবং ড. ইফতেখারুজ্জামান।