ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতাল দালালমুক্ত করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নরসিংদীতে ছুরিকাঘাতে পিতাকে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে পলাতক নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু

বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ ও চুক্তি নবায়নের আশ্বাস কাতারের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 486

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে কাতারের সঙ্গে নবায়নযোগ্য সহযোগিতার মাধ্যমে। সম্প্রতি দোহায় অনুষ্ঠিত আর্থনা সামিটের সাইড লাইনে কাতারের জ্বালানিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল কাবির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় কাতার তাদের পূর্বের মেয়াদোত্তীর্ণ এলএনজি সরবরাহ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নবায়নের আশ্বাস দেয়।

প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, কাতার এলএনজি সরবরাহের পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে কারিগরি সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। কাতার তাদের এলএনজি উৎপাদন দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে, যার ফলে আগামীতে দাম কমার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

সাক্ষাতে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে পুনর্গঠনের জন্য আমরা কাতারের সহযোগিতা চাই।” প্রতিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল কাবি জবাবে বলেন, “আমরা নতুন সমঝোতা স্মারক সই করতে প্রস্তুত। কাতারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব গড়তে চাই।”

আরও পড়ুন  স্টার্কের তাণ্ডবে ৬৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ

এছাড়াও, কাতার বাংলাদেশে ইউরিয়া সার সরবরাহ বৃদ্ধির পরিকল্পনাও করছে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ও কাতার একটি সরকার-টু-সরকার এলএনজি সেল পারচেজ এগ্রিমেন্ট (এসপিএ) স্বাক্ষর করে, যার আওতায় বছরে ১.৫ থেকে ২.৫ মিলিয়ন টন এলএনজি আমদানি হয়ে থাকে। এ চুক্তি অনুযায়ী প্রতিবছর ৪০টি কার্গো এলএনজি দেশে আসে।

২০২৩ সালের জুনে আরও একটি এসপিএ স্বাক্ষরিত হয়, যার আওতায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে বছরে অতিরিক্ত ১.৫ মিলিয়ন টন এলএনজি সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। এই দ্বিতীয় এসপিএ সংক্রান্ত একটি এমওইউ চলতি বছরের জানুয়ারিতে শেষ হয়, যা এখন নবায়নের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে কাতারের পক্ষ থেকে।

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে কাতারের এই সহযোগিতা ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ ও চুক্তি নবায়নের আশ্বাস কাতারের

আপডেট সময় ১০:১৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে কাতারের সঙ্গে নবায়নযোগ্য সহযোগিতার মাধ্যমে। সম্প্রতি দোহায় অনুষ্ঠিত আর্থনা সামিটের সাইড লাইনে কাতারের জ্বালানিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল কাবির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় কাতার তাদের পূর্বের মেয়াদোত্তীর্ণ এলএনজি সরবরাহ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নবায়নের আশ্বাস দেয়।

প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, কাতার এলএনজি সরবরাহের পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে কারিগরি সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। কাতার তাদের এলএনজি উৎপাদন দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে, যার ফলে আগামীতে দাম কমার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

সাক্ষাতে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে পুনর্গঠনের জন্য আমরা কাতারের সহযোগিতা চাই।” প্রতিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল কাবি জবাবে বলেন, “আমরা নতুন সমঝোতা স্মারক সই করতে প্রস্তুত। কাতারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব গড়তে চাই।”

আরও পড়ুন  রাজনীতি করতে হলে শিক্ষকতা ছাড়ুন: ডেপুটি স্পিকার

এছাড়াও, কাতার বাংলাদেশে ইউরিয়া সার সরবরাহ বৃদ্ধির পরিকল্পনাও করছে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ও কাতার একটি সরকার-টু-সরকার এলএনজি সেল পারচেজ এগ্রিমেন্ট (এসপিএ) স্বাক্ষর করে, যার আওতায় বছরে ১.৫ থেকে ২.৫ মিলিয়ন টন এলএনজি আমদানি হয়ে থাকে। এ চুক্তি অনুযায়ী প্রতিবছর ৪০টি কার্গো এলএনজি দেশে আসে।

২০২৩ সালের জুনে আরও একটি এসপিএ স্বাক্ষরিত হয়, যার আওতায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে বছরে অতিরিক্ত ১.৫ মিলিয়ন টন এলএনজি সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। এই দ্বিতীয় এসপিএ সংক্রান্ত একটি এমওইউ চলতি বছরের জানুয়ারিতে শেষ হয়, যা এখন নবায়নের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে কাতারের পক্ষ থেকে।

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে কাতারের এই সহযোগিতা ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।