ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী বিপিএল অনিশ্চিত, ক্রিকেটারদের সুখবর বিসিবি বসের

বিদেশি ঋণ নিতে ছোট পরামর্শকের শর্তই বড় বাধা: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 484

ছবি সংগৃহীত

 

পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, “বিদেশি বড় ঋণ নিতে হলে তাদের দেওয়া ছোট পরামর্শকের বোঝাও ঘাড়ে নিতে হয়। না হলে তারা ঋণ দিতেই চায় না।”

রবিবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন একনেকে মোট ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে চট্টগ্রাম বে টার্মিনালের অবকাঠামো উন্নয়ন অন্যতম। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন  নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রস্তুত থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, চট্টগ্রাম বে টার্মিনাল উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৩ হাজার ৫২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা এবং সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ করা হবে ৪ হাজার ১৯২ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর প্রকৃতপক্ষে নদীবন্দর। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সমুদ্রবন্দর প্রয়োজন। সে কারণেই বে টার্মিনালকে ঘিরে একটি বড় পরিসরের মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আজ একটির অনুমোদন হয়েছে, ভবিষ্যতে আরও একটি পিপিপি (পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ) ভিত্তিক প্রকল্প নেওয়া হবে।”

তিনি জানান, সব মিলিয়ে সেখানে চারটি টার্মিনাল গড়ে তোলা হবে। প্রকল্পটি যেন দ্রুত বাস্তবায়ন হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

এ সময় বিদেশি ঋণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, “অনেক সময় প্রকল্পে যে পরামর্শক দেওয়া হয়, তার প্রয়োজন ততটা না থাকলেও ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে মেনে নিতে হয়। এতে করে প্রকল্প ব্যয়ও বেড়ে যায়, কিন্তু আমাদের উপায় থাকে না।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকায় প্রকৃত উপকারভোগীরা প্রায় ৫০ শতাংশ বঞ্চিত হন। অনেক সময় স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে সুবিধাভোগীর তালিকা তৈরি করা হয়।”

ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুনসহ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশি ঋণ নিতে ছোট পরামর্শকের শর্তই বড় বাধা: পরিকল্পনা উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৭:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

 

পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, “বিদেশি বড় ঋণ নিতে হলে তাদের দেওয়া ছোট পরামর্শকের বোঝাও ঘাড়ে নিতে হয়। না হলে তারা ঋণ দিতেই চায় না।”

রবিবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন একনেকে মোট ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে চট্টগ্রাম বে টার্মিনালের অবকাঠামো উন্নয়ন অন্যতম। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন  নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রস্তুত থাকবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, চট্টগ্রাম বে টার্মিনাল উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় হবে ১৩ হাজার ৫২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকা এবং সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে খরচ করা হবে ৪ হাজার ১৯২ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর প্রকৃতপক্ষে নদীবন্দর। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সমুদ্রবন্দর প্রয়োজন। সে কারণেই বে টার্মিনালকে ঘিরে একটি বড় পরিসরের মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। আজ একটির অনুমোদন হয়েছে, ভবিষ্যতে আরও একটি পিপিপি (পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ) ভিত্তিক প্রকল্প নেওয়া হবে।”

তিনি জানান, সব মিলিয়ে সেখানে চারটি টার্মিনাল গড়ে তোলা হবে। প্রকল্পটি যেন দ্রুত বাস্তবায়ন হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

এ সময় বিদেশি ঋণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, “অনেক সময় প্রকল্পে যে পরামর্শক দেওয়া হয়, তার প্রয়োজন ততটা না থাকলেও ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে মেনে নিতে হয়। এতে করে প্রকল্প ব্যয়ও বেড়ে যায়, কিন্তু আমাদের উপায় থাকে না।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকায় প্রকৃত উপকারভোগীরা প্রায় ৫০ শতাংশ বঞ্চিত হন। অনেক সময় স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে সুবিধাভোগীর তালিকা তৈরি করা হয়।”

ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুনসহ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।