ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

মার্কিন দূতাবাস ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, গাজায় আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 674

ছবি সংগৃহীত

 

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় গুলশানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অপ্রীতিকর কোনো পরিস্থিতি এড়াতে দূতাবাস এলাকা ঘিরে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য, নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি।

সোমবার (৭ এপ্রিল) ফিলিস্তিনে চলমান দমনপীড়নের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে একযোগে প্রতিবাদ, ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি পালিত হয়। সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একদল তরুণ গুলশান-২ এলাকায় মার্কিন দূতাবাসের দিকে অগ্রসর হন। মিছিল নিয়ে তারা দূতাবাসের সামনের প্রধান সড়কে অবস্থান নেন, এতে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশে এখনো ন্যায়ের উপর ভিত্তি করে সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি: প্রধান উপদেষ্টা

ঘটনাস্থলে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মিছিলের সামনে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য এবং কৌশলগতভাবে মোতায়েনকৃত নিরাপত্তা টিম।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. তারেক মাহমুদ জানান, “মার্কিন দূতাবাস ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। কোনো ধরনের হুমকি না থাকলেও সতর্কতামূলকভাবে প্রস্তুত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।”

মিছিলকারীরা ‘গাজা হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করো’, ‘ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াও’ ইত্যাদি স্লোগানে রাজপথ মুখর করে তোলেন। তবে কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই তারা তাদের কর্মসূচি পালন করে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি তরুণ সমাজের এই প্রতিবাদ নিঃসন্দেহে বিশ্বজনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে, মার্কিন দূতাবাস থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

মার্কিন দূতাবাস ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, গাজায় আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৫:৪১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় গুলশানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অপ্রীতিকর কোনো পরিস্থিতি এড়াতে দূতাবাস এলাকা ঘিরে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য, নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি।

সোমবার (৭ এপ্রিল) ফিলিস্তিনে চলমান দমনপীড়নের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে একযোগে প্রতিবাদ, ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি পালিত হয়। সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একদল তরুণ গুলশান-২ এলাকায় মার্কিন দূতাবাসের দিকে অগ্রসর হন। মিছিল নিয়ে তারা দূতাবাসের সামনের প্রধান সড়কে অবস্থান নেন, এতে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

আরও পড়ুন  গাজায় ব্যর্থতার দায়ে পদত্যাগের প্রস্তুতিতে শিন বেত প্রধান রনেন বার

ঘটনাস্থলে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মিছিলের সামনে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য এবং কৌশলগতভাবে মোতায়েনকৃত নিরাপত্তা টিম।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. তারেক মাহমুদ জানান, “মার্কিন দূতাবাস ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। কোনো ধরনের হুমকি না থাকলেও সতর্কতামূলকভাবে প্রস্তুত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।”

মিছিলকারীরা ‘গাজা হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করো’, ‘ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াও’ ইত্যাদি স্লোগানে রাজপথ মুখর করে তোলেন। তবে কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই তারা তাদের কর্মসূচি পালন করে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি তরুণ সমাজের এই প্রতিবাদ নিঃসন্দেহে বিশ্বজনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে, মার্কিন দূতাবাস থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।