রাতে ঘুমের সমস্যা? সমাধানে ৩ অভ্যাস
- আপডেট সময় ১২:৫১:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 29
পর্যাপ্ত ঘুম শরীর ও মনকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনিয়মিত জীবনযাপন, রাত জাগা কিংবা দিনের বেলায় বেশি ঘুমানোর অভ্যাসসহ নানা কারণে অনেকেরই রাতে ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। কয়েক রাত টানা ঠিকমতো ঘুম না হলে কাজে মনোযোগ কমে যেতে পারে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে উঠতে পারে এবং দিনের বড় সময়জুড়ে ক্লান্তি ও তন্দ্রা অনুভূত হতে পারে।
রাতে ঘুমের মান ভালো রাখতে তাই দৈনন্দিন জীবনযাপনে কিছু বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় হলো—
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
ভালো ঘুমের জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়মিত সময়ে খাবার খাওয়া, গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইল ফোন বা অন্য স্ক্রিনে সময় কাটানো, পর্যাপ্ত পানি না পান করা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ও ঘুমের পরিবেশের প্রতি উদাসীনতা ঘুমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এ কারণে নিয়মিত ও পরিমিত খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ঘুমের জন্য আরামদায়ক পরিবেশ তৈরির অভ্যাস করতে হবে।
দিন-রাতের ভারসাম্য বজায় রাখা
দিন সাধারণত কাজ ও সক্রিয়তার জন্য এবং রাত বিশ্রামের জন্য। তবে আধুনিক জীবনযাপনে অনেকেই রাত জেগে থাকা এবং দিনের বেলায় ঘুমানোর অভ্যাস করে ফেলেছেন। বিশেষ করে তরুণদের একটি অংশ রাত জাগাকে স্বাভাবিক জীবনযাপনের অংশ হিসেবে দেখলেও এতে শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হতে পারে।
মানুষের শরীরে সার্কাডিয়ান রিদম বা জৈবিক ঘড়ি দিন-রাতের স্বাভাবিক চক্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করে। নিয়মিতভাবে এই ছন্দের ব্যতিক্রম ঘটলে ঘুমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাই সম্ভব হলে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং জাগার অভ্যাস করা ভালো।
বয়স অনুযায়ী নিজের যত্ন নেওয়া
বয়সভেদে ঘুমের প্রয়োজনও পরিবর্তিত হয়। শিশুদের সাধারণত বেশি সময় ঘুমের প্রয়োজন হয়, আর বয়স বাড়ার সঙ্গে প্রয়োজনীয় ঘুমের পরিমাণ কিছুটা কমে আসে। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের ঘুমের সমস্যা দেখা দিলে শুধু বয়সকে এর কারণ হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়।
বয়স বাড়ার সঙ্গে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও জীবনযাপনের পরিবর্তন ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই বয়স অনুযায়ী নিজের শরীর ও দৈনন্দিন অভ্যাসের বিষয়ে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত জীবনযাপন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ঘুমের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে ঘুমের মান অনেকটাই উন্নত করা সম্ভব।

























