ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এভারেস্টে পর্যটকদের খাবারে বিষ মিশিয়ে ১৫০ কোটি টাকার জালিয়াতি টাঙ্গাইলে পুকুরে ডুবে দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু মাদারীপুরে জমি নিয়ে বিরোধে ৩ ভাইকে কুপিয়ে জখম জ্বালানি সংকট ঠেকাতে তিন দেশ থেকে বিকল্প পথে তেল আনছে বাংলাদেশ বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা নিয়ে কড়া বার্তা বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ভবন মালিক ও রেস্টুরেন্ট মালিকসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে সিআইডির চার্জশিট মোটরসাইকেলে এসে ছাত্রদল নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা ট্রাম্পকে ‘প্রতিদিন কথা বলা’ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ ম্যাক্রোর; ন্যাটো নিয়ে উদ্বেগ ট্রাম্প প্রশাসনে ফের রদবদল: মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি বরখাস্ত

ভুঁড়ি ও মেদবৃদ্ধিতে হৃদরোগের ঝুঁকি: সুস্থ থাকতে জীবনযাপনে বদল জরুরি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 24

ছবি: সংগৃহীত

বাড়তে থাকা ভুঁড়ি কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, বরং এটি শরীরে মারাত্মক সব রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর জমা হওয়া মেদ বা ‘ভিসেরাল ফ্যাট’ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে বিপাকক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে এবং উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের মতো জটিলতা দেখা দেয়। তাই ভুঁড়িকে কেবল সুখের চিহ্ন মনে না করে একে অসুখের ইঙ্গিত হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

মেদ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমেই খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনা চাই। চিনি, মিষ্টি, অতিরিক্ত ভাজাভুজি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পুরোপুরি বর্জন করে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন, ফাইবার, টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল রাখতে হবে। দিনের শুরুতে হালকা গরম পানি বা চিয়া সিড ভেজানো পানি পান করা বিপাকক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে নিয়মিত দ্রুত হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা এবং যোগাসনের অভ্যাস করা অত্যন্ত জরুরি।

সুস্থতার জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনও অপরিহার্য। ঘুমের অভাব হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে মানসিক চাপ ও মেদ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া রাতে দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে দ্রুত রাতের খাবার শেষ করা এবং নিয়মিত মদ্যপান পরিহার করা উচিত। জীবনযাত্রায় এই পরিবর্তনগুলো আনলে মেদ কমার পাশাপাশি শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং ডায়াবেটিস ও রক্তচাপের মতো রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

আরও পড়ুন  হৃদরোগ প্রতিরোধে দ্রুত হাঁটার কার্যকরী ভূমিকা

নিউজটি শেয়ার করুন

ভুঁড়ি ও মেদবৃদ্ধিতে হৃদরোগের ঝুঁকি: সুস্থ থাকতে জীবনযাপনে বদল জরুরি

আপডেট সময় ১২:৪০:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

বাড়তে থাকা ভুঁড়ি কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, বরং এটি শরীরে মারাত্মক সব রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, পেটের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর জমা হওয়া মেদ বা ‘ভিসেরাল ফ্যাট’ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে বিপাকক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে এবং উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের মতো জটিলতা দেখা দেয়। তাই ভুঁড়িকে কেবল সুখের চিহ্ন মনে না করে একে অসুখের ইঙ্গিত হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

মেদ নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমেই খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনা চাই। চিনি, মিষ্টি, অতিরিক্ত ভাজাভুজি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পুরোপুরি বর্জন করে খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন, ফাইবার, টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল রাখতে হবে। দিনের শুরুতে হালকা গরম পানি বা চিয়া সিড ভেজানো পানি পান করা বিপাকক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে নিয়মিত দ্রুত হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা এবং যোগাসনের অভ্যাস করা অত্যন্ত জরুরি।

সুস্থতার জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনও অপরিহার্য। ঘুমের অভাব হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে মানসিক চাপ ও মেদ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া রাতে দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে দ্রুত রাতের খাবার শেষ করা এবং নিয়মিত মদ্যপান পরিহার করা উচিত। জীবনযাত্রায় এই পরিবর্তনগুলো আনলে মেদ কমার পাশাপাশি শরীরের ক্লান্তি দূর হয় এবং ডায়াবেটিস ও রক্তচাপের মতো রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

আরও পড়ুন  হৃদরোগ প্রতিরোধে দ্রুত হাঁটার কার্যকরী ভূমিকা