ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ক্ষেপণাস্ত্র তাক করতেই হরমুজ থেকে পিছু হটল মার্কিন যুদ্ধজাহাজ: দাবি ইরানের আবারও আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে: ডা. শফিকুর রহমান দুই মামলায় জামিনের পর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামান ৯ ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় কমানোর নির্দেশ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পরিপত্র জারি মেডিকেল ও বিজনেস ভিসা চালু করছে ভারত হাঙ্গেরিতে পিটার ম্যাগিয়ারের বিজয়: অবসান ঘটল দীর্ঘ ১৬ বছরের অরবান শাসনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ভাঙ্গায় বাস-পিকআপ মুখোমুখি সংঘর্ষ: নিহত ২, আহত ৩৫ ইরানের সব বন্দরে মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরু: কঠোর অবস্থানে সেন্টকোম ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, প্রধান অভিযুক্তসহ গ্রেফতার ৭

ধর্ষণের লজ্জা সইতে না পেরে স্কুলছাত্রীর বিষপান, মূল হোতা গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 71

ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ফুলপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মূল অভিযুক্ত এবং ত্রিশালে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৪। গত ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল পৃথক দুটি অভিযানে তাদের আটক করা হয়। ধৃত ব্যক্তিরা হলেন মো. রুবেল মিয়া (৪০) এবং মো. কলিম উদ্দিন ওরফে কলম উদ্দিন (৫৮)।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ রাতে ফুলপুর এলাকার নিজ বাড়িতে ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেন প্রতিবেশী রুবেল মিয়া। ধর্ষণের পর লোকলজ্জার ভয় সইতে না পেরে রুবেলের বাড়ি থেকেই কীটনাশক পান করে নিজ বাড়িতে ফিরে আসে ওই কিশোরী। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ৩০ মার্চ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ফুলপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-১১) দায়ের করেন। মামলার রুজুর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে র‍্যাব-১৪ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে ফুলপুরের রামভদ্রপুর এলাকা থেকে প্রধান আসামি রুবেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে বিশেষ অভিযানে ২৬ জন গ্রেপ্তার

অন্যদিকে, র‍্যাব-১৪ এর অপর একটি আভিযানিক দল বুধবার (১ এপ্রিল) ভোর রাত সোয়া ৩টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার উচাখিলা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ত্রিশাল থানার একটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী (১৬) কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান এবং একমাত্র অভিযুক্ত মো. কলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় তারা। ধৃত কলিম উদ্দিন ত্রিশাল থানার ধলাইমান এলাকার বাসিন্দা।

র‍্যাব-১৪ জানিয়েছে, দুটি ঘটনাই অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় তারা ছায়াতদন্ত শুরু করেছিল এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে দ্রুততম সময়ে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত উভয় আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ধর্ষণের লজ্জা সইতে না পেরে স্কুলছাত্রীর বিষপান, মূল হোতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০২:০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মূল অভিযুক্ত এবং ত্রিশালে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৪। গত ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল পৃথক দুটি অভিযানে তাদের আটক করা হয়। ধৃত ব্যক্তিরা হলেন মো. রুবেল মিয়া (৪০) এবং মো. কলিম উদ্দিন ওরফে কলম উদ্দিন (৫৮)।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ রাতে ফুলপুর এলাকার নিজ বাড়িতে ১৩ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেন প্রতিবেশী রুবেল মিয়া। ধর্ষণের পর লোকলজ্জার ভয় সইতে না পেরে রুবেলের বাড়ি থেকেই কীটনাশক পান করে নিজ বাড়িতে ফিরে আসে ওই কিশোরী। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ৩০ মার্চ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ফুলপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা (নং-১১) দায়ের করেন। মামলার রুজুর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে র‍্যাব-১৪ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে ফুলপুরের রামভদ্রপুর এলাকা থেকে প্রধান আসামি রুবেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন  চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোরচক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার

অন্যদিকে, র‍্যাব-১৪ এর অপর একটি আভিযানিক দল বুধবার (১ এপ্রিল) ভোর রাত সোয়া ৩টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার উচাখিলা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ত্রিশাল থানার একটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী (১৬) কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান এবং একমাত্র অভিযুক্ত মো. কলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় তারা। ধৃত কলিম উদ্দিন ত্রিশাল থানার ধলাইমান এলাকার বাসিন্দা।

র‍্যাব-১৪ জানিয়েছে, দুটি ঘটনাই অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় তারা ছায়াতদন্ত শুরু করেছিল এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে দ্রুততম সময়ে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত উভয় আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।