ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

ন্যাটোর শীর্ষ পদে আর একক আধিপত্য নয়, বড় পরিবর্তনের পথে যুক্তরাষ্ট্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 366

ছবি: সংগৃহীত

 

ন্যাটোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদ SACEUR—যেটা ১৯৫১ সাল থেকে সবসময়ই মার্কিন জেনারেলদের হাতে ছিল—সেখানে এবার পরিবর্তন আসছে। পেন্টাগন চাচ্ছে, এই একক নিয়ন্ত্রণ তুলে দিয়ে নতুন নিয়ম চালু করতে।

এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা না, বরং পুরো প্রতিরক্ষা খাতে বড় একটা পুনর্গঠনের অংশ। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপ ও আফ্রিকা কমান্ড একীভূত করার কথাও ভাবা হচ্ছে। এতে প্রথম বছরেই ২৭০ মিলিয়ন ডলার খরচ কমবে, যদিও সেটা বিশাল ৮৫০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটের তুলনায় খুবই ছোট।

আরও পড়ুন  ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত নয়: ট্রাম্পের দাবি

এই পরিবর্তন মানে শুধু একটা পদ হাতছাড়া হওয়া নয়, বরং ন্যাটোর নেতৃত্ব আর ইউরোপের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনার শুরু। এতদিন ন্যাটোর সামরিক সিদ্ধান্তগুলোর নিয়ন্ত্রণ মূলত আমেরিকার হাতে ছিল। এবার ইউরোপীয় দেশগুলো কীভাবে নেতৃত্ব নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ন্যাটোর শীর্ষ পদে আর একক আধিপত্য নয়, বড় পরিবর্তনের পথে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় ০৮:২৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

ন্যাটোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদ SACEUR—যেটা ১৯৫১ সাল থেকে সবসময়ই মার্কিন জেনারেলদের হাতে ছিল—সেখানে এবার পরিবর্তন আসছে। পেন্টাগন চাচ্ছে, এই একক নিয়ন্ত্রণ তুলে দিয়ে নতুন নিয়ম চালু করতে।

এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা না, বরং পুরো প্রতিরক্ষা খাতে বড় একটা পুনর্গঠনের অংশ। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপ ও আফ্রিকা কমান্ড একীভূত করার কথাও ভাবা হচ্ছে। এতে প্রথম বছরেই ২৭০ মিলিয়ন ডলার খরচ কমবে, যদিও সেটা বিশাল ৮৫০ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটের তুলনায় খুবই ছোট।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনকে ৩,০০০ দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিবে যুক্তরাষ্ট্র

এই পরিবর্তন মানে শুধু একটা পদ হাতছাড়া হওয়া নয়, বরং ন্যাটোর নেতৃত্ব আর ইউরোপের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নতুন আলোচনার শুরু। এতদিন ন্যাটোর সামরিক সিদ্ধান্তগুলোর নিয়ন্ত্রণ মূলত আমেরিকার হাতে ছিল। এবার ইউরোপীয় দেশগুলো কীভাবে নেতৃত্ব নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।