০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
‘২ হাজার টাকার কার্ড পেতে ১ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে না তো?’—নাহিদ ইসলাম ইতোকোতর্মিতো – বরফের রাজ্যে মানুষের বসতি উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ নিরাপত্তার কারণেই ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরকারও সিদ্ধান্তে অটল কেউ চিরদিন বাঁচে না’—হাসিনা যুগ নিয়ে জয়ের বক্তব্য আপনারা ভালা আছেন নি?’ সিলেটে তারেক রহমান সিলেট থেকে বিএনপির সিলেট থেকে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র প্রচারণা শুরু, আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসমুদ্র ফাইনালের টিকিট রাজশাহীর, হতাশ সিলেট গাজায় একদিনে ইসরায়েলি হামলায় ৩ সাংবাদিকসহ নিহত ১১ ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান: তারেক রহমান

কলকাতার নিউমার্কেটে ঈদের বাজারে বাংলাদেশি পর্যটকদের অভাব: ব্যবসায়ীরা বিপাকে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
  • / 109

ছবি সংগৃহীত

 

ঈদ উপলক্ষে কলকাতার নিউমার্কেট চত্বর, যা “মিনি বাংলা” নামে পরিচিত, প্রতিবারের মতো জমে উঠেনি। এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর রমজান মাসে বাংলাদেশের পর্যটকদের ভিড়ে ব্যাপক ব্যবসা লাভ করেন, তবে এবার সেই চিরচেনা দৃশ্য অনুপস্থিত।

বাংলাদেশি পর্যটকদের অনুপস্থিতির কারণে কলকাতার নিউমার্কেট, ট্রেজার আইল্যান্ড, সিমপার্ক মল এবং আশপাশের বাজারের ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি। অনেক ব্যবসায়ী এখন দোকানের ভাড়া দিতে হিমশিম খাচ্ছেন, এবং বেশ কিছু দোকান ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। আবাসিক হোটেলগুলোর অবস্থাও সংকটে পড়েছে, যেখানে আগে বাংলাদেশের পর্যটকরা থাকতেন।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এই পরিস্থিতি ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তাদের আশঙ্কা, যদি এই পরিস্থিতি আরও কয়েক বছর চলতে থাকে, তাহলে এই অঞ্চলের ক্ষুদ্র অর্থনীতি ভেঙে পড়তে পারে। নিউমার্কেট অঞ্চলের প্রায় ১০০টির বেশি হোটেল ও ৩,০০০ দোকান বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল।

ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী খান জানান, “রমজানে বাংলাদেশি পর্যটকদের সংখ্যা আরো বেড়ে যায়, কারণ তারা ঈদের কেনাকাটা রোজার শুরুতেই শুরু করেন। কিন্তু এবার সেই পর্যটকরা প্রায় আসেননি, যা আমাদের ব্যবসার জন্য বড় ধাক্কা।”

বাংলাদেশি পর্যটকদের অনুপস্থিতির একটি বড় কারণ হলো কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় পার্কিং সংকট এবং দখলদারিত্বের সমস্যা। স্থানীয় ক্রেতারা এসব কারণে এখানে কেনাকাটায় আগ্রহী নন, কিন্তু বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য এসব সমস্যা তেমন ছিল না।

শ্রীরাম আর্কেডের ব্যবসায়ী মাকসুদ আহমেদ বলেন, “বর্তমানে যারা কলকাতায় আসছেন, তাদের বেশিরভাগই চিকিৎসার জন্য আসছেন।”

এদিকে, সিমপার্ক মলের ব্যবসায়ী আফরোজ খান জানান, “দুর্গাপূজা ও রমজান আমাদের সবচেয়ে ভালো মৌসুম, কিন্তু এবার ক্রেতাদের সংখ্যা অনেক কম, ফলে ব্যবসা খারাপ হচ্ছে।”

করোনা পরবর্তী কিছু সময় ব্যবসা ভালো হলেও, এবার ফের সেই মন্দা পরিস্থিতি ফিরে এসেছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

[bsa_pro_ad_space id=4]

কলকাতার নিউমার্কেটে ঈদের বাজারে বাংলাদেশি পর্যটকদের অভাব: ব্যবসায়ীরা বিপাকে

আপডেট সময় ১১:৩৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

 

ঈদ উপলক্ষে কলকাতার নিউমার্কেট চত্বর, যা “মিনি বাংলা” নামে পরিচিত, প্রতিবারের মতো জমে উঠেনি। এই অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর রমজান মাসে বাংলাদেশের পর্যটকদের ভিড়ে ব্যাপক ব্যবসা লাভ করেন, তবে এবার সেই চিরচেনা দৃশ্য অনুপস্থিত।

বাংলাদেশি পর্যটকদের অনুপস্থিতির কারণে কলকাতার নিউমার্কেট, ট্রেজার আইল্যান্ড, সিমপার্ক মল এবং আশপাশের বাজারের ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি। অনেক ব্যবসায়ী এখন দোকানের ভাড়া দিতে হিমশিম খাচ্ছেন, এবং বেশ কিছু দোকান ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। আবাসিক হোটেলগুলোর অবস্থাও সংকটে পড়েছে, যেখানে আগে বাংলাদেশের পর্যটকরা থাকতেন।

[bsa_pro_ad_space id=2]

এই পরিস্থিতি ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তাদের আশঙ্কা, যদি এই পরিস্থিতি আরও কয়েক বছর চলতে থাকে, তাহলে এই অঞ্চলের ক্ষুদ্র অর্থনীতি ভেঙে পড়তে পারে। নিউমার্কেট অঞ্চলের প্রায় ১০০টির বেশি হোটেল ও ৩,০০০ দোকান বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল।

ফ্রি স্কুল স্ট্রিট ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী খান জানান, “রমজানে বাংলাদেশি পর্যটকদের সংখ্যা আরো বেড়ে যায়, কারণ তারা ঈদের কেনাকাটা রোজার শুরুতেই শুরু করেন। কিন্তু এবার সেই পর্যটকরা প্রায় আসেননি, যা আমাদের ব্যবসার জন্য বড় ধাক্কা।”

বাংলাদেশি পর্যটকদের অনুপস্থিতির একটি বড় কারণ হলো কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় পার্কিং সংকট এবং দখলদারিত্বের সমস্যা। স্থানীয় ক্রেতারা এসব কারণে এখানে কেনাকাটায় আগ্রহী নন, কিন্তু বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য এসব সমস্যা তেমন ছিল না।

শ্রীরাম আর্কেডের ব্যবসায়ী মাকসুদ আহমেদ বলেন, “বর্তমানে যারা কলকাতায় আসছেন, তাদের বেশিরভাগই চিকিৎসার জন্য আসছেন।”

এদিকে, সিমপার্ক মলের ব্যবসায়ী আফরোজ খান জানান, “দুর্গাপূজা ও রমজান আমাদের সবচেয়ে ভালো মৌসুম, কিন্তু এবার ক্রেতাদের সংখ্যা অনেক কম, ফলে ব্যবসা খারাপ হচ্ছে।”

করোনা পরবর্তী কিছু সময় ব্যবসা ভালো হলেও, এবার ফের সেই মন্দা পরিস্থিতি ফিরে এসেছে।