ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাঁপল ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫
  • / 384

ছবি: সংগৃহীত

 

রাশিয়া আবারও ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে দেশটির একাধিক স্থাপনায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায় মস্কো।

ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া অন্তত ৫৪টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রায় ২০০টি ড্রোন দিয়ে সমন্বিত হামলা চালিয়েছে। এতে পূর্বাঞ্চলের খারকিভ থেকে পশ্চিমের টারনোপিল পর্যন্ত বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনকে রক্ষা করতে যুক্তরাজ্যের ‘কোয়ালিশন অব উইলিং’ জোট গড়ার আহ্বান

এই হামলায় অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে চারজন শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, হামলার ভয়াবহতা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ছিল, যা দেশটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে।

রাশিয়ার এই আক্রমণের জবাবে ইউক্রেন প্রথমবারের মতো ফ্রান্সের সরবরাহকৃত মিরাজ ২০০০ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে। গত মাসেই প্যারিস কিয়েভকে এই যুদ্ধবিমান সরবরাহ করেছিল। ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনীর দাবি, হামলা প্রতিহত করতে এই উন্নত যুদ্ধবিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এমন এক সময় এই হামলা হলো, যখন ইউক্রেন ও ইউরোপীয় মিত্ররা কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিল। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউক্রেনের সম্পর্কে টানাপড়েন চলছেই। সামরিক সহায়তা কমার শঙ্কায় রয়েছে কিয়েভ। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার এমন ভয়াবহ আক্রমণ যুদ্ধের গতিপথ আরও অনিশ্চিত করে তুলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

বিশ্ব সম্প্রদায় রাশিয়ার এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে। তবে যুদ্ধ বন্ধে কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনো দৃশ্যমান নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়ার ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাঁপল ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো

আপডেট সময় ১১:৪৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫

 

রাশিয়া আবারও ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে দেশটির একাধিক স্থাপনায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায় মস্কো।

ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া অন্তত ৫৪টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্রায় ২০০টি ড্রোন দিয়ে সমন্বিত হামলা চালিয়েছে। এতে পূর্বাঞ্চলের খারকিভ থেকে পশ্চিমের টারনোপিল পর্যন্ত বিভিন্ন জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইউক্রেনের খনিজ সম্পদে প্রবেশের জন্য চুক্তি বাধ্যতামূলক করতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ

এই হামলায় অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে চারজন শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, হামলার ভয়াবহতা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ছিল, যা দেশটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে।

রাশিয়ার এই আক্রমণের জবাবে ইউক্রেন প্রথমবারের মতো ফ্রান্সের সরবরাহকৃত মিরাজ ২০০০ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে। গত মাসেই প্যারিস কিয়েভকে এই যুদ্ধবিমান সরবরাহ করেছিল। ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনীর দাবি, হামলা প্রতিহত করতে এই উন্নত যুদ্ধবিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এমন এক সময় এই হামলা হলো, যখন ইউক্রেন ও ইউরোপীয় মিত্ররা কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছিল। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউক্রেনের সম্পর্কে টানাপড়েন চলছেই। সামরিক সহায়তা কমার শঙ্কায় রয়েছে কিয়েভ। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার এমন ভয়াবহ আক্রমণ যুদ্ধের গতিপথ আরও অনিশ্চিত করে তুলছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

বিশ্ব সম্প্রদায় রাশিয়ার এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে। তবে যুদ্ধ বন্ধে কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনো দৃশ্যমান নয়।