ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

চলতি বছরই যুদ্ধের ইতি টানতে চান জেলেনস্কি, প্রয়োজন নিরাপত্তার নিশ্চয়তা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 458

ছবি: সংগৃহীত

 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কিয়েভের পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে শক্তিশালী নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাইছেন, যাতে ২০২৫ সালের মধ্যেই রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানো সম্ভব হয়। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা এমন নিশ্চয়তা চাই, যাতে এই বছরেই যুদ্ধ শেষ করা যায়।”

এর আগে, সৌদি আরবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইউক্রেনকে আমন্ত্রণ না জানানোয় কড়া প্রতিক্রিয়া দেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, “আমরা বিস্মিত হয়েছি। ইউক্রেনকে বাদ দিয়ে যুদ্ধবিরতির আলোচনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে আমাদের বাদ দিয়ে এমন বৈঠক আর করা উচিত হবে না।”

আরও পড়ুন  রোমে ট্রাম্প-জেলেনস্কি ফলপ্রসূ বৈঠক, যুদ্ধবিরতির আলোচনায় নতুন গতি

জেলেনস্কির এই ক্ষোভের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনের উচিত ছিল অনেক আগেই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ করা। তিনি বলেন, “তিন বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। এতদিনেও তারা সমাধান খুঁজে নেয়নি? আমি মনে করি, সৌদি বৈঠকের পর রাশিয়া এবার আক্রমণ বন্ধ করতে চায়। আমার বিশ্বাস, যুদ্ধ বন্ধের ক্ষমতা আমার হাতে রয়েছে।”

এদিকে, ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর ইউরোপীয় প্রস্তাবের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, “তারা যদি তা করতে চায়, তাহলে ভালো ব্যাপার। আমার এতে কোনো আপত্তি নেই।”

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইউক্রেন বিষয়ক বিশেষ দূত কেইথ কেলোগ বুধবার কিয়েভে পৌঁছেছেন। তিনি সেখানে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠকের আগে ইউক্রেনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে মস্কো টাইমস জানিয়েছে, কেলোগ ট্রেনে করে কিয়েভে পৌঁছান। তবে একই দিনে দক্ষিণাঞ্চলীয় ওডেসা শহরে রাশিয়ার হামলার ফলে হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন।

সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জেলেনস্কি জানান, “ওডেসার প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। প্রচণ্ড শীতে তারা তাপের ব্যবস্থা করতে পারছে না। হামলায় ১৩টি স্কুল, একটি কিন্ডারগার্টেন এবং কয়েকটি হাসপাতালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত হয়েছে এক শিশুসহ চারজন।”

যুদ্ধের অবসান কবে হবে, তা স্পষ্ট নয়। তবে পশ্চিমা সমর্থন ও কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে কিয়েভ দ্রুতই একটি সমাধান চাইছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চলতি বছরই যুদ্ধের ইতি টানতে চান জেলেনস্কি, প্রয়োজন নিরাপত্তার নিশ্চয়তা

আপডেট সময় ০৭:০৭:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কিয়েভের পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে শক্তিশালী নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাইছেন, যাতে ২০২৫ সালের মধ্যেই রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটানো সম্ভব হয়। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা এমন নিশ্চয়তা চাই, যাতে এই বছরেই যুদ্ধ শেষ করা যায়।”

এর আগে, সৌদি আরবে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ইউক্রেনকে আমন্ত্রণ না জানানোয় কড়া প্রতিক্রিয়া দেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, “আমরা বিস্মিত হয়েছি। ইউক্রেনকে বাদ দিয়ে যুদ্ধবিরতির আলোচনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে আমাদের বাদ দিয়ে এমন বৈঠক আর করা উচিত হবে না।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে ২৫% শুল্ক: নির্বাহী আদেশে সই করলেন ট্রাম্প

জেলেনস্কির এই ক্ষোভের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইউক্রেনের উচিত ছিল অনেক আগেই আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ করা। তিনি বলেন, “তিন বছর ধরে যুদ্ধ চলছে। এতদিনেও তারা সমাধান খুঁজে নেয়নি? আমি মনে করি, সৌদি বৈঠকের পর রাশিয়া এবার আক্রমণ বন্ধ করতে চায়। আমার বিশ্বাস, যুদ্ধ বন্ধের ক্ষমতা আমার হাতে রয়েছে।”

এদিকে, ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর ইউরোপীয় প্রস্তাবের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, “তারা যদি তা করতে চায়, তাহলে ভালো ব্যাপার। আমার এতে কোনো আপত্তি নেই।”

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইউক্রেন বিষয়ক বিশেষ দূত কেইথ কেলোগ বুধবার কিয়েভে পৌঁছেছেন। তিনি সেখানে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলেনস্কির বৈঠকের আগে ইউক্রেনে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে মস্কো টাইমস জানিয়েছে, কেলোগ ট্রেনে করে কিয়েভে পৌঁছান। তবে একই দিনে দক্ষিণাঞ্চলীয় ওডেসা শহরে রাশিয়ার হামলার ফলে হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন।

সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জেলেনস্কি জানান, “ওডেসার প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। প্রচণ্ড শীতে তারা তাপের ব্যবস্থা করতে পারছে না। হামলায় ১৩টি স্কুল, একটি কিন্ডারগার্টেন এবং কয়েকটি হাসপাতালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত হয়েছে এক শিশুসহ চারজন।”

যুদ্ধের অবসান কবে হবে, তা স্পষ্ট নয়। তবে পশ্চিমা সমর্থন ও কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে কিয়েভ দ্রুতই একটি সমাধান চাইছে।