০৬:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে ২৫% শুল্ক: নির্বাহী আদেশে সই করলেন ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 106

ছবি: সংগৃহীত

 

ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপে নির্বাহী আদেশে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ও রিপাবলিকান দলের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার ওভাল অফিসে এই আদেশে স্বাক্ষর করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। কোনো ছাড় বা ব্যতিক্রম থাকবে না, নতুন শুল্কহার ২৫ শতাংশই থাকবে।’ তিনি এ সিদ্ধান্তকে ‘একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ উল্লেখ করে বলেন, ‘এটি যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পখাতকে পুনরুজ্জীবিত করবে ও অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।’

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের লবিং: সিরিয়াকে দুর্বল ও বিভক্ত রাখার নতুন কৌশল অবলম্বন

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে। কারণ, তার আগের শাসনামলেও (২০১৭-২০২১) তিনি একই ধরনের শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যা আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছিল।

ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, অটোমোবাইল, ওষুধ ও কম্পিউটার চিপের ওপরও নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা রয়েছে। তার মতে, এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প খাতকে অন্যায্য প্রতিযোগিতার মুখে ফেলেছে, যা তিনি মেনে নেবেন না।

বিশ্ববাজারে এই শুল্কের প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা এখনো বিশ্লেষণ করছেন। তবে ট্রাম্পের সমর্থকরা মনে করছেন, এটি ‘মার্কিন স্বার্থ রক্ষার সাহসী উদ্যোগ’, যেখানে তার বিরোধীরা একে বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য ‘বিপজ্জনক সংকেত’ বলে অভিহিত করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে ২৫% শুল্ক: নির্বাহী আদেশে সই করলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ১০:১৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপে নির্বাহী আদেশে সই করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ও রিপাবলিকান দলের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার ওভাল অফিসে এই আদেশে স্বাক্ষর করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। কোনো ছাড় বা ব্যতিক্রম থাকবে না, নতুন শুল্কহার ২৫ শতাংশই থাকবে।’ তিনি এ সিদ্ধান্তকে ‘একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ উল্লেখ করে বলেন, ‘এটি যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পখাতকে পুনরুজ্জীবিত করবে ও অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।’

আরও পড়ুন  ‘পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত এক দখলদার দানব’ — যুক্তরাষ্ট্রকে কটাক্ষ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে। কারণ, তার আগের শাসনামলেও (২০১৭-২০২১) তিনি একই ধরনের শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যা আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছিল।

ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, অটোমোবাইল, ওষুধ ও কম্পিউটার চিপের ওপরও নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা রয়েছে। তার মতে, এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প খাতকে অন্যায্য প্রতিযোগিতার মুখে ফেলেছে, যা তিনি মেনে নেবেন না।

বিশ্ববাজারে এই শুল্কের প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা এখনো বিশ্লেষণ করছেন। তবে ট্রাম্পের সমর্থকরা মনে করছেন, এটি ‘মার্কিন স্বার্থ রক্ষার সাহসী উদ্যোগ’, যেখানে তার বিরোধীরা একে বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য ‘বিপজ্জনক সংকেত’ বলে অভিহিত করছেন।