ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

ফ্রি প্যালেস্টাইন নয়, কাশ্মীর দখলের কথা বললেন শুভেন্দু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 20

ছবি: সংগৃহীত

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া বক্তব্যে কথিত ‘দেশবিরোধী রাজনীতি’ ও বেছে বেছে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের সমালোচনা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই বক্তব্যে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) একদিন ভারত পুনর্দখল করবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

কাশ্মীর প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগানের পরিবর্তে ‘ফ্রি পিওকে’ স্লোগান দেওয়া উচিত। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে মিছিলের বিরুদ্ধেও বিজেপি সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

দ্য স্টেটসম্যানের প্রতিবেদনের বরাতে ইত্তেফাক জানায়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় ক্যাম্পাসে চলা কথিত ‘দেশবিরোধী রাজনীতি’ এবং বেছে বেছে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের সমালোচনা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, তার প্রশাসন একটি ‘শক্তিশালী ও দেশপ্রেমিক’ সরকার পরিচালনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও পড়ুন  কাশ্মীর হামলার চরম উত্তেজনায় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার ঘোষণা দিল পাকিস্তান

পুলওয়ামা হামলা ও অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, ভারতের সামরিক অভিযান পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর ওপর বড় ধরনের আঘাত হেনেছে।

তিনি বলেন, যারা ‘কাশ্মীরের আজাদি’ চায়, তাদের বক্তব্য স্পষ্টভাবে শোনা উচিত। অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে ভারতীয় বিমানবাহিনী মাসুদ আজহারের বংশধরদের নিশ্চিহ্ন করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর দখলের কথা বলেন পশ্চিমবঙ্গের এই বিজেপি নেতা।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বামপন্থী রাজনীতির প্রভাব নিয়েও সমালোচনা করেন শুভেন্দু। এ সময় আর্টস হোস্টেল এবং কথিত মাওবাদী নেতা কিষাণজির প্রতি সমর্থনের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।

এ ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুভেন্দু বলেন, ‘হয় তারা থাকবে, নয়তো আমরা থাকব। যথেষ্ট হয়েছে। এর মাঝামাঝি আর কিছু থাকবে না।’

বিজেপি সরকার যেসব শক্তিকে ‘দেশবিরোধী’ বলে মনে করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে লেখা কথিত ‘আজাদি’ স্লোগানের প্রসঙ্গও আসে তার বক্তব্যে। শুভেন্দু বলেন, কলকাতার রাস্তায় যখন ‘আজাদি’র স্লোগান ওঠে, তখন তার কষ্ট হয়। তার প্রশ্ন, ‘আপনারা কী স্বাধীনতা চাইছেন? দেশ তো বহু আগেই স্বাধীন হয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ফ্রি প্যালেস্টাইন নয়, কাশ্মীর দখলের কথা বললেন শুভেন্দু

আপডেট সময় ০১:০৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া বক্তব্যে কথিত ‘দেশবিরোধী রাজনীতি’ ও বেছে বেছে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের সমালোচনা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই বক্তব্যে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) একদিন ভারত পুনর্দখল করবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

কাশ্মীর প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগানের পরিবর্তে ‘ফ্রি পিওকে’ স্লোগান দেওয়া উচিত। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ফিলিস্তিনি পতাকা নিয়ে মিছিলের বিরুদ্ধেও বিজেপি সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

দ্য স্টেটসম্যানের প্রতিবেদনের বরাতে ইত্তেফাক জানায়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় ক্যাম্পাসে চলা কথিত ‘দেশবিরোধী রাজনীতি’ এবং বেছে বেছে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের সমালোচনা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, তার প্রশাসন একটি ‘শক্তিশালী ও দেশপ্রেমিক’ সরকার পরিচালনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও পড়ুন  কাশ্মীর সীমান্তে টানা পাঁচরাত ভারত-পাকিস্তান সেনাদের গোলাগুলি

পুলওয়ামা হামলা ও অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গ তুলে শুভেন্দু বলেন, ভারতের সামরিক অভিযান পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর ওপর বড় ধরনের আঘাত হেনেছে।

তিনি বলেন, যারা ‘কাশ্মীরের আজাদি’ চায়, তাদের বক্তব্য স্পষ্টভাবে শোনা উচিত। অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে ভারতীয় বিমানবাহিনী মাসুদ আজহারের বংশধরদের নিশ্চিহ্ন করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর দখলের কথা বলেন পশ্চিমবঙ্গের এই বিজেপি নেতা।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বামপন্থী রাজনীতির প্রভাব নিয়েও সমালোচনা করেন শুভেন্দু। এ সময় আর্টস হোস্টেল এবং কথিত মাওবাদী নেতা কিষাণজির প্রতি সমর্থনের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।

এ ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুভেন্দু বলেন, ‘হয় তারা থাকবে, নয়তো আমরা থাকব। যথেষ্ট হয়েছে। এর মাঝামাঝি আর কিছু থাকবে না।’

বিজেপি সরকার যেসব শক্তিকে ‘দেশবিরোধী’ বলে মনে করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে লেখা কথিত ‘আজাদি’ স্লোগানের প্রসঙ্গও আসে তার বক্তব্যে। শুভেন্দু বলেন, কলকাতার রাস্তায় যখন ‘আজাদি’র স্লোগান ওঠে, তখন তার কষ্ট হয়। তার প্রশ্ন, ‘আপনারা কী স্বাধীনতা চাইছেন? দেশ তো বহু আগেই স্বাধীন হয়েছে।’