ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সৌদি-আমিরাতের সঙ্গে সহযোগিতায় প্রস্তুত ইরান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 50

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও সামুদ্রিক অবরোধের কারণে বাণিজ্যে চাপ বাড়লেও সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করতে ইরান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট পেজেশকিয়ান বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা বাড়ানো ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এমন সময় তিনি এ মন্তব্য করলেন, যখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও একটি সামুদ্রিক অবরোধ ইরানের বাণিজ্য কার্যক্রমে বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

পেজেশকিয়ানের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের প্রভাবে ইরানের রপ্তানি ও আমদানি ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। এর ফলে সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব এবং তেহরানের ওপর ক্রমবর্ধমান নিষেধাজ্ঞার চাপ আরও স্পষ্ট হয়েছে।

আরও পড়ুন  শর্তসাপেক্ষে পারমাণবিক কর্মসূচির স্থগিতি: ইরানের ঘোষণা

তবে এই চাপের মধ্যেও একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি বাস্তবায়নের সময় ইরান প্রায় ৯ কোটি ব্যারেল তেল বিক্রি করেছে বলে জানান পেজেশকিয়ান।

ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী কৌশলগত জলপথটি যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহ পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট ছিল। সংঘাত শুরুর পর ওই জলপথে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

এদিকে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য পেজেশকিয়ানের আহ্বান এমন এক সময়ে এসেছে, যখন উপসাগরীয় দেশগুলো সংঘাতের প্রভাব থেকে নিজেদের বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন স্থগিত করেছে। এর ফলে তেহরান একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

সৌদি-আমিরাতের সঙ্গে সহযোগিতায় প্রস্তুত ইরান

আপডেট সময় ০৯:৫০:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও সামুদ্রিক অবরোধের কারণে বাণিজ্যে চাপ বাড়লেও সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও গভীর করতে ইরান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট পেজেশকিয়ান বলেন, আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা বাড়ানো ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এমন সময় তিনি এ মন্তব্য করলেন, যখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও একটি সামুদ্রিক অবরোধ ইরানের বাণিজ্য কার্যক্রমে বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

পেজেশকিয়ানের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধের প্রভাবে ইরানের রপ্তানি ও আমদানি ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। এর ফলে সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব এবং তেহরানের ওপর ক্রমবর্ধমান নিষেধাজ্ঞার চাপ আরও স্পষ্ট হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে বিপাকে ট্রাম্প

তবে এই চাপের মধ্যেও একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি বাস্তবায়নের সময় ইরান প্রায় ৯ কোটি ব্যারেল তেল বিক্রি করেছে বলে জানান পেজেশকিয়ান।

ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী কৌশলগত জলপথটি যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল সরবরাহ পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট ছিল। সংঘাত শুরুর পর ওই জলপথে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

এদিকে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য পেজেশকিয়ানের আহ্বান এমন এক সময়ে এসেছে, যখন উপসাগরীয় দেশগুলো সংঘাতের প্রভাব থেকে নিজেদের বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন স্থগিত করেছে। এর ফলে তেহরান একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথ থেকে বঞ্চিত হয়েছে।