আজাদ কাশ্মীরের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইফতিখার গিলানি
- আপডেট সময় ১১:১২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
- / 21
পাকিস্তান-শাসিত আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের (এজেকে) ১৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) নেতা ব্যারিস্টার ইফতিখার গিলানি। শুক্রবার, ২৮ আগস্ট তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
এর আগে মুজাফফরাবাদে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের জন্য আজাদ কাশ্মীর আইনসভার অধিবেশন বসে। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার চৌধুরী তারিক ফারুক। ভোটগ্রহণের সময় দুই প্রার্থীই আইনসভায় উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনে পিএমএল-এনের প্রার্থী ইফতিখার গিলানি ৩৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) সরদার মুখতার খান পান ১৪ ভোট।
ভোট শুরুর আগে দুই প্রার্থী ইফতিখার গিলানি ও সরদার মুখতার খান পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করেন। এর মধ্য দিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের কার্যক্রম শুরু হয়।
অধিবেশনে পিএমএল-এনের আজাদ কাশ্মীর শাখার সভাপতি শাহ গুলাম কাদির উপস্থিত ছিলেন না। তবে দলটির জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজা ফারুক হায়দার অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গিলানি বলেন, তার সরকার সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এমন একটি আজাদ কাশ্মীর গড়ে তুলতে কাজ করবে, যা বিশ্বের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই একসঙ্গে এগিয়ে যাব।’
আজাদ কাশ্মীরে সুশাসনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে গিলানি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি হাসপাতালগুলোর মান উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। আজাদ কাশ্মীরের উন্নয়নে তার সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ অন্যদের জন্যও দৃষ্টান্ত তৈরি করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
গিলানি বলেন, ‘এই সরকার হবে জনগণের সরকার।’ তার ভাষ্য, এখন থেকে ‘কাশ্মীরের জনগণের যুগ’ শুরু হবে। তার সরকারের সময়ে সাধারণ মানুষ ও সরকারি কর্মচারীরা পরিবর্তনের সুফল দেখতে পাবেন বলেও আশাবাদ জানান তিনি।
ইফতিখার গিলানি আজাদ কাশ্মীরে পিএমএল-এনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা। মুজাফফরাবাদের একটি পরিচিত রাজনৈতিক পরিবারে তার জন্ম। আইন, শিক্ষা ও সংসদীয় রাজনীতিতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
ইসলামাবাদে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান গিলানি। সেখানে তিনি বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে পাকিস্তানে ফিরে ইসলামাবাদে আইন পেশায় যুক্ত হন।



















