ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাধা নেই: আইনমন্ত্রী ফ্রান্সে সহিংসতা-লুটপাট, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সন্তান কোথায় যায়, খোঁজ রাখেন: সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 50

ছবি: সংগৃহীত

সন্তানকে যোগ্য, সৎ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তার মতে, শুধু শিক্ষকদের ওপর নির্ভর করে সন্তানকে সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব নয়; শিক্ষার্থীর প্রকৃত বিকাশে পরিবার ও অভিভাবকের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা পরিষদে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুন।

অভিভাবকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সন্তানের প্রতি নিয়মিত নজর রাখতে হবে। সন্তান পড়াশোনার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে কোথায় যাচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের খোঁজ রাখতে হবে। শুধু শিক্ষকদের ওপর নির্ভর না করে সন্তানের চলাফেরা ও কর্মকাণ্ডের বিষয়েও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

আরও পড়ুন  সন্তান জন্মদানের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

তিনি বলেন, সন্তানের চরিত্র গঠন, নৈতিক শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি তৈরিতে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বাবা-মা ও অভিভাবকেরা বর্তমান আকাশ সংস্কৃতির সময়ে সচেতন না হলে সন্তানরা ভুল পথে যেতে পারে এবং মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারে।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, সন্তানকে শুধু বিদ্যালয়ে পাঠানোই অভিভাবকদের দায়িত্ব নয়। তার সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করাও পরিবারের দায়িত্ব। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে এবং কী ধরনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছে—এসব বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা প্রয়োজন।

বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার শিশু-কিশোরদের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ কারণে অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। একজন শিক্ষার্থীর শুধু ভালো ফলাফল করাই যথেষ্ট নয়; তাকে সৎ, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে।

তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার পরামর্শ দেন। তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, পরিবারে সুন্দর ও ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে শিশুদের মানসিক বিকাশও সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে ঘটবে।

পরে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার পলিপ্রাগপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সন্তান কোথায় যায়, খোঁজ রাখেন: সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর

আপডেট সময় ১২:৪০:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

সন্তানকে যোগ্য, সৎ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তার মতে, শুধু শিক্ষকদের ওপর নির্ভর করে সন্তানকে সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব নয়; শিক্ষার্থীর প্রকৃত বিকাশে পরিবার ও অভিভাবকের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা পরিষদে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুন।

অভিভাবকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সন্তানের প্রতি নিয়মিত নজর রাখতে হবে। সন্তান পড়াশোনার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে কোথায় যাচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের খোঁজ রাখতে হবে। শুধু শিক্ষকদের ওপর নির্ভর না করে সন্তানের চলাফেরা ও কর্মকাণ্ডের বিষয়েও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

আরও পড়ুন  সন্তান নিয়ে প্রকাশ্যে লেডি গাগা, প্রথমবার মা হওয়ার খবর

তিনি বলেন, সন্তানের চরিত্র গঠন, নৈতিক শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি তৈরিতে পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বাবা-মা ও অভিভাবকেরা বর্তমান আকাশ সংস্কৃতির সময়ে সচেতন না হলে সন্তানরা ভুল পথে যেতে পারে এবং মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারে।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, সন্তানকে শুধু বিদ্যালয়ে পাঠানোই অভিভাবকদের দায়িত্ব নয়। তার সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করাও পরিবারের দায়িত্ব। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে এবং কী ধরনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছে—এসব বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখা প্রয়োজন।

বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার শিশু-কিশোরদের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ কারণে অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। একজন শিক্ষার্থীর শুধু ভালো ফলাফল করাই যথেষ্ট নয়; তাকে সৎ, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে।

তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার পরামর্শ দেন। তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, পরিবারে সুন্দর ও ইতিবাচক পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে শিশুদের মানসিক বিকাশও সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে ঘটবে।

পরে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার পলিপ্রাগপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।