দিল্লির বিক্ষোভে নতুন ঘোষণা মোদির
- আপডেট সময় ১১:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
- / 23
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চলমান বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে মোদি বলেন, তরুণদের ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কোনো বিষয় হতে পারে না। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যারা তরুণদের ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কারণে আবারও রাজধানীর ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ ঘোষণা করেছে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি)। বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া এক ঘোষণায় সংস্থাটি জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব স্টেশন বন্ধ থাকবে।
ডিএমআরসির এক্সে দেওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জন্তর মন্তরে গত দুই মাস ধরে চলা এ আন্দোলন সাম্প্রতিক সময়ে আরও জোরালো হয়েছে। বুধবারও একই ১৬টি মেট্রো স্টেশন কয়েক ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে চালু করা হলেও বৃহস্পতিবার সকালে আবারও সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সংবাদমাধ্যম দ্য উইক জানিয়েছে, স্টেশনগুলো বন্ধ থাকায় অফিসগামী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেককে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে বাসে উঠতে এবং অনেকে ট্যাক্সিক্যাব ব্যবহার করে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।






















